কলকাতা: শুরুতেই আটকে গেল ‘খোলা হাওয়ার সন্ধানে’। সভা শুরু হতেই একদল লোক এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করল সভাগৃহে। শুরু হল অনুষ্ঠানের প্রধান মুখ কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্লোগান। যার ফলে ভণ্ডুল হয়ে গেল সমগ্র অনুষ্ঠান।

রাজ্যে নেই উপযুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরাও দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এই প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রাজ্যকে উদ্ধার করতে ‘খোলা হাওয়ার সন্ধানে’ নামক একটি রাজনৈতিক মঞ্চের আত্মপ্রকাশ করার কথা ছিল বুধবার। রামমোহন মঞ্চের সেই অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা ছিল জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস। মুকুল রায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও শোনা গিয়েছিল।

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী এই মঞ্চের প্রধান মুখ ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বহিস্কৃত সাংসদ কুণাল ঘোষ। কিন্তু সভা শুরু হতেই সভাগৃহে ঢুকে একদল লোক শুরু করল বিক্ষোভ। শুরু হল সারদা কাণ্ড নিয়ে কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্লোগান। সভায় উপস্থিত থাকলেও বক্তব্য রাখতে পারেননি কুণাল বাবু। বিক্ষোভের কারণে শুরুতেই ভেস্তে গিয়েছে সভা। থমকে গিয়েছে ‘খোলা হাওয়ার সন্ধানে’ কর্মসূচি।

এদিনের ঘটনার জন্য শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকেই দায়ী করেছেন কুণাল ঘোষ। সেই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও। তাঁর অভিযোগ, “বিক্ষোভের সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি। উলটে বিক্ষোভকারীদের সাহায্য করেছে।” সভার আয়োজকেরা বিক্ষোভে বাধা দিলে পুলিশ তাঁদেরকেই তুলে নিয়ে যেত বলে আশংকাও প্রকাশ করেছেন কুণাল।

ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৫ বছর পূর্তির দিনে কেন্দ্রের শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক সেই দিনেই তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী মঞ্চ গড়তে চেয়েছিল জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস বা কুণাল ঘোষ। বেশ কিছু জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিধায়ক এবং প্রশাসনিক কর্তারা উপস্থিত ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে। মুকুল রায়কে নিয়ে গুঞ্জন ছড়ালেও তাঁকে এদিন উক্ত সভায় দেখা যায়নি।