দেবযানী সরকার, কলকাতা: উনিশের লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে সরিয়ে পদ্মে আস্থা রেখেছে বালুরঘাট৷ কিন্তু, সেই জেলা থেকেই এবার একুশের সভায় রেকর্ড ভিড় হবে৷ kolkata 24×7-এর কাছে এমনই দাবি করলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তৃণমূলের সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ অর্পিতা ঘোষ৷

লোকসভা ভোটে তৃণমূলের ধস নেমেছে উত্তরবঙ্গে৷ দার্জিলিং থেকে মালদহ, একটা আসনও জিততে পারেননি ঘাসফুল শিবির৷ তাই এবার একুশে জুলাই ধর্মতলার ভিড়ে উত্তরবঙ্গের লোক তুলনামূলক কম হবে বলেই মনে করছে তৃণমূলের একাংশ৷ তাছাড়া রাজ্যজুড়েও একুশ নিয়ে তেমন উন্মাদনা নেই৷ এই পরিস্থিতিতেও দলকে আশার আলো দেখাচ্ছেন মাত্র কয়েকমাস সংগঠনের দায়িত্ব পাওয়া অর্পিতা৷

আরও পড়ুন: বনগাঁর বিজেপি কাউন্সিলরদের ‘ক্রিমিনাল’ বললেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম

মঙ্গলবার অর্পিতা বলেন, এখান থেকে ৬০-৭০ হাজার লোক নিয়ে যাব৷ আমাদের এখানে তো বেশি ট্রেন নেই৷ ট্রেনের ক্যাপাসিটি থাকলে আরও অনেক অনেক লোক নিয়ে যেতাম৷ লোকজনও যেতে চাইছে৷ তিনি জানান, ব্লক পিছু কমপক্ষে সাত-আট হাজার টার্গেট দেওয়া হয়েছে৷

নাম না করে প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রকে খোঁচা দিয়ে অর্পিতা বলেন, এবার রেকর্ড ভিড় হবে এই জেলা থেকে৷ এত লোক এর আগে দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে হয়নি৷ গতবার বলা হয়েছিল এখান থেকে একলক্ষ লোক হয়েছে৷ কিন্তু খুব বেশি হলে ২০ হাজার লোক একুশের সভায় গিয়েছিল৷

আরও পড়ুন: সাংসদ পদ ছাড়ার পরই বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে

অর্পিতার বক্তব্য, ‘‘লোকসভায় পরাজয় তৃণমূলের মধ্যে একটা জেদ তৈরি করেছে৷ একুশের বিধানসভা ভোটে জেতার জেদের প্রতিফলন দেখা যাবে একুশের ধর্মতলায়৷’’

কারণ লোকসভা ভোটে হারলেও অর্পিতা ঘোষের উপর আস্থা হারাননি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রাক্তন সাংসদের হাতে তিনি জেলার দায়িত্ব সঁপে দিয়েছেন৷ জেলা সভাপতি হয়ে অর্পিতাও চাইছেন নেত্রীকে খুশি করতে৷ তাই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, একুশের সভায় বেশি লোক নিয়ে যাওয়াটা অর্পিতার কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ৷