বর্ধমান: অবিলম্বে বর্ধমান পুরসভার নির্বাচন করানো-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলনে নামল বামফ্রন্ট৷ অন্যদিকে পুরসভার পরিষেবা নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূলও৷ পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারকে একটি স্মারকলিপি দেন বামফ্রন্ট নেতৃত্ব৷

বর্ধমান পুরসভায় প্রশাসক বসানো হয়েছে৷ তারপর থেকেই নাগরিক পরিষেবা নিয়ে চাপ বাড়াচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিকদল৷ বুধবার পুরসভার সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে সিপিআই(এম)-এর বর্ধমান শহর ১ ও ২ নং এরিয়া কমিটি। তাদের দাবি, অবিলম্বে বর্ধমান পুরসভার নির্বাচন করাতে হবে৷ এছাড়া জল নিকাশী ব্যবস্থার উন্নয়ন, পুর এলাকায় অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করা, বেহাল রাস্তা সারাই সহ একাধিক দাবিতে এই আন্দোলন৷ বামফ্রন্ট নেতৃত্ব এদিন পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারকে একটি স্মারকলিপিও দেন৷

অন্যদিকে গত মঙ্গলবার বিদায়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলাররা বর্ধমান পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত গুহের কাছে গিয়েই লিখিতভাবে জানিয়ে আসেন৷ এই কর্মসূচীতে ছিলেন বিদায়ী কাউন্সিলর পরেশ সরকার, সনৎ বক্সী, সৈয়দ মহম্মদ সেলিম প্রমুখ৷ এর আগে গত ১৬ জুন তারা মহকুমা শাসকের কাছে পুরসভার নাগরিক পরিষেবা নিয়ে নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন৷ অভিযোগ, নির্বাচিত বোর্ড না থাকায় শহর জুড়েই বিনা প্ল্যানে তৈরি হয়ে যাচ্ছে অবৈধ বহু বাড়ি। বহু ওয়ার্ডেই পানীয় জলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই৷ নেই পর্যাপ্ত আলো৷ এ যেন এক নেই রাজ্যের বাসিন্দা৷ জলের হাহাকার দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্থ ড্রেনগুলি সংস্কার করা হচ্ছে না৷

যদিও পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত গুহ জানান, বিদায়ী কাউন্সিলর যে বিষয়গুলি নিয়ে দাবি জানিয়েছেন তা তাঁরা প্রতিমূহূর্তেই পালন করছেন। ড্রেনেজ পরিষ্কার বা রাস্তাঘাট সংস্কারের বিষয়টিকেও তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে জলের গাড়ি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলিতে পাঠানোও হচ্ছে। একটি পাম্প খারাপ হওয়ায় ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তা মেরামত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।