নয়াদিল্লি: বাংলায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়ে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলেছেন ৪০ জন বিধায়ক বিজেপিতে যাওয়ার জন্য তৈরি আছেন। আর এই মন্তব্যের পরই আক্রমণ আসে তৃণমূলের তরফে। মঙ্গলবারই মোদীর এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল।

সোমবার শ্রীরামপুরের সভায় এসে মোদী বলেছিলেন, ২৩ মে বিজেপি জিতলেই তৃণমূলের বিধায়করা বিজেপিতে যোগ দেবেন। ৪০ জন বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ আছে বিজেপির। এরপরই তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ট্যুইট করে মোদীর বিরুদ্ধে হর্স ট্রেডিং বা ঘোড়া কেনা-বেচা অভিযোগ আনেন।

এরপর নির্বাচন কমিশনে যায় তৃণমূল। তৃণমূলের তরফ থেকে কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘তৃণমূলের বিধায়করা বিজেপিতে যোগ দেবেন একথা বলে আসলে ঘোড়া কেনাবেচায় উৎসাহ দিচ্ছেন মোদী। মিথ্যা কথা বলে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।’

কমিশনের কাছে তৃণমূলের আর্জি, যাতে মোদীর ওই বক্তব্যের সাপেক্ষে প্রমাণ চাওয়া হয়, আর প্রমাণ দিতে না পারলে যাতে মোদীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। কারণ হিসেবে তৃণমূলের বক্তব্য, এই ধরনের প্ররোচনামূলক কথা বলে মোদী নির্বাচন বিধি ভঙ্গ করেছেন।

শ্রীরামপুরের সভা থেকে তৃণমূল নেত্রীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদী বলেন, আগামী ২৩ মে-র পর রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দুর্দিন আসতে চলেছে৷ একই সঙ্গে মোদীর ঘোষণা, ৪০ জন বিধায়ক তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন৷ কাঁটা দিয়ে কাটা তোলার মতই যে তৃণমূলের পথেই জোড়াফুল শিবিরকে দুর্বল করতে সচেষ্ট বিজেপি তা এদিন প্রজানমন্ত্রীর কথা থেকেই স্পষ্ট৷

অনুপম, সোমিত্র খাঁ থেকে অর্জুন সিং৷ তৃণমূল থেকে পদ্ম শিবিরে নাম লিখিয়েছেন৷ মুকুল রায়ের হাত ধরে৷ তালিকায় রয়েছে আরও৷ রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, নরেন্দ্র মোদীকে ভরসা জুগিয়েছেন মুকুল রায়৷ সেই পথেই তাই তৃণমূল বধের পরিকল্পনা মোদীর৷ ইতিমধ্যেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জানিয়ে দিয়েছেন বাংলা থেকে ২৩ আসন নূন্যতম লক্ষ্য তাদের৷