স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা আবহে এবার ভার্চুয়ালি আয়োজন করা হয়েছে একুশে জুলাইয়ের সভা। জেনে নিন, কোথায় দেখা যাবে এই সভার সম্প্রচার?‌

মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে এক ঘণ্টা সেই কর্মসূচি হবে। এরপর ঠিক দুপুর ২ টোয় কালীঘাটে নিজের দলীয় কার্যালয় থেকে অডিও বার্তা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ধর্মতলায় শহিদ তর্পণ হবে প্রতি বছরের মতোই। সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে সেখানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুধু দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী ও মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। মেয়ো রোডের শহিদের বেদি তৈরি করে সেখানে তাঁদের শ্রদ্ধা জানাবেন এই দুই শীর্ষ নেতা। দলের তরফে এই দু’জনের বাইরে কেউ শহিদ তর্পণে থাকবেন না। তৃণমূল ভবনে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শ্রমিক নেত্রী দোলা সেনকে।

অন্যান্যবার শহিদ পরিবারের সদস্যদের কালীঘাটে নেত্রীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নেত্রীর সঙ্গেই ধর্মতলার মঞ্চে আসেন তাঁরা। এবছর সেই সূচিতেও বদল। শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিকটবর্তী বুথে নিয়ে এসে সম্মান জানাবে স্থানীয় নেতৃত্ব।

তৃণমূলের দলীয় সূত্রে খবর, আলাদা করে কোনও বিশেষ স্ট্রিমিং অ্যাপ নয়, যেভাবে এতদিন ধরে ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে তৃণমূলের বিভিন্ন সভা স্ট্রিম করা হয়েছে, সেভাবেই হবে এবারের ২১ জুলাইয়ের সভাও। বিজেপির মেগা র‌্যালিতে যেমন একটি বিশেষ স্ট্রিমিং অ্যাপের সাহায্য নেওয়া হয়েছিল, এক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।

সাধারণ মানুষ যাতে খুব সহজে ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে এই সভায় অংশ নিতে পারেন, তাই সাধারণ নিয়মেই চলবে স্ট্রিমিং। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসিয়াল পেজ, ইউটিউব অ্যাকাউন্ট থেকে এই সভা সম্প্রচারিত হবে । ‌ নেত্রীর বার্তা শোনার জন্য পাড়ায় পাড়ায় জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে।

জানা গিয়েছে, এই দিনটিকে উৎসর্গ করে ‘সকল বাধা ছিন্ন করে জাগে যৌবন নতুন সুরে’ শীর্ষক একটি গানও লিখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুর দিয়ে সেটি তৈরি করে ইতিমধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শহিদ দিবসে সারাদিনই এই গান বাজানো হবে। ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মাস্ক পরে, স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে তবেই কর্মসূচি পালনে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।