অরুণাভ রাহারায়, কলকাতা: মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে বইপ্রেমীদের শ্রেষ্ঠ উৎসব। মেলা চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন মেলা খোলা থাকবে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। গত দু’বছরের মতো এবারও কলকাতা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক প্রাঙ্গণে। কর্মকর্তারা আগেই জানিয়েছিলেন ২০২০ সালের কলকাতা বইমেলায় থাকছে নানা চমক।

সোমবার বইমেলার মাঠে সাংবাদিক সম্মেলনে গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে বলেন, “এবারের কলকাতা বইমেলার অফিসিয়াল ম্যাসকট থাকছে ‘টিটো’ নামের পেঁচা। বইমেলার বিভিন্ন জায়গায় পেঁচার ছবি টাঙানো হবে।” বইমেলার সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে টিটো এক ‘জ্ঞানী বৃদ্ধা পেঁচা’। পরবারই কলকাতা বইমেলায় নতুন চমক থাকে। এবার নানা চমকের মধ্যে অন্যতম টিটো।

৪৪তম কলকাতা বইমেলায় সিইএসসি সৃষ্টিসম্মান পাচ্ছেন প্রাবন্ধিক নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী। মঙ্গলবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এই সম্মান তুলে দেবন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে সিইএসসি সৃষ্টিসম্মান পেয়েছেন সাহিত্যিক শংকর, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী প্রমুখ।

এবারের বইমেলায় বিশেষ ভাবে উদযাপন করা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতবার্ষিকী। বইমেলায় থাকছে ৬০০ স্টল এবং ২০০ লিটল ম্যাগাজিন। পরিবেশের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বইমেলাকে পরিবেশ বান্ধব বইমেলা করার জন্য এগিয়ে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগর উন্নয়ন দফতর। সিইএসসির সহযোগিতায় বইমেলায় থাকছে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।

এবারের ফোলাক থিম কান্ট্রি রাশিয়া। থিম গেট হচ্ছে রাশিয়ার বিশ্ববিখ্যাত বলশয় থিয়েটারের আদলে। আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় সরাসরি ও যৌথ ভাবে অংশগ্রহণ করছে ২০টি দেশ। বাংলাদেশ থেকে আসছেন প্রায় ৪০ জন প্রকাশক। বই ঘিরে এত বড় উৎসবের জন্য প্রহর গুনতে শুরু করেছে বহু মানুষ।