স্টাফ রিপোর্টার, কাঁথি: উৎসবে গা ভাসিয়েছে রাজ্যবাসী৷ যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে দেবী দুর্গার আগমন হয়নি মর্তে৷ তার আগেই ছদ্মবেশে আসুররূপে ধরাধামে হাজির হয়েছিল তিতলি৷

দশভূজার নাম শুনেই পাত্তারি গুটিছে প্রজাপতি ঝর৷ কিন্তু শুক্রবারের হাল্কা স্পেলে ছাপ রেখে গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রেমে৷ তিতলির দাপটে রাস্তাজুড়ে পরে রয়েছে ভাঙা গাছ৷ বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে উৎসবের আগে অন্ধকারে বহু গ্রাম৷ তবে শনিবার থেকে অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ীরা৷

আরও পড়ুন: স্কুলে চুলোচুলি দুই শিক্ষিকার, চক্ষু ছানাবড়া পড়ুয়াদের

ডানা ঝাপটেছিল তিতলি৷ তবে শক্তিক্ষয় করে বর্তমানে তা নিম্নচাপে পরিণত৷ আবাহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, পুজোর আগেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে৷ উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই৷ আর এতেই উৎসবের আলো উপভোগে বেড়িয়ে পড়েছেন মানুষ৷

ঝর, বৃষ্টির দাপটে গতদুদিন মার খেয়েছে ব্যবসা৷ রবিবার ছুটির দিন৷ মিা দুর্গার আশীর্বাদে মেঘ কেটে সূর্যদেবের দেখা পেলেই ফের কেনাবেচা জমে যাবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা৷ এখনও যাদের কেনাকাটার বাকি তারাও প্রস্তুত৷

আরও পড়ুন: সাইক্লোন তিতলির প্রভাব পড়ল বিশ্ববাংলাতেও

তবে তিতলির জেরে নন্দীগ্রামের বিক্রামচক, ঠাকুরচক, সিদ্ধেশ্বরবাজার এলাকা বিপর্যস্ত৷ ধরের জেরে ভেঙে পড়েছে বহু মাটির বাড়ি৷ পাকা রাস্তার ধারে গাছ উপড়ে পরে রয়েছে রাস্তার উপর৷ ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল৷ বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পরায় অন্ধকারে বেশ কয়েকটি গ্রাম৷ ক্ষতি হয়েছে চাষের৷ শনিবার বৃষ্টি না হওয়ায় অবশ্য পরিস্থিতি পুজোর আগেই স্বাভাবিক হবে বলে আস্বস্ত করেছে প্রশাসন৷

থেমেছে বৃষ্টি, মেঘ সরিয়ে টুকি দিচ্ছে সূয্যি মামা৷ সেই চিলতে রোদেই এখন আশার আলোর বার্তা৷