বর্ধমান: সামনেই স্বাধীনতা দিবস। হরেক মাস্কের ব্যবহার ইতিমধ্যেই বাজার ঘাটে দেখা যাচ্ছে। এবার এল ভারতের পতাকা দিয়ে তৈরি তেরঙ্গা মাস্ক। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে দেশই রক্ষা করবে আপনাকে। এই লক্ষ্য নিয়েই বাজারে ছেয়ে গিয়েছে তেরঙ্গা মাস্ক। দেশের প্রতি নিজের ভালবাসা, সম্মান ফুটে উঠবে তেরঙ্গা মাস্কে, জানাচ্ছেন বিক্রেতারা।

এদিকে, একই ছবি ফুটে উঠেছে রাজ্যেও। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে জেলায় জেলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৈরি করেছেন কর্মতীর্থ। পূর্ব বর্ধমানের কালনার কর্মতীর্থটি রয়েছে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে। লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিক কথাটির সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন সকলেই। বাংলা থেকে ভিনরাজ্যে যেমন প্রচুর মানুষ কাজে যান, তেমনই অন্য রাজ্য থেকেও বাংলায় এসে বিভিন্ন কাজে যুক্ত অনেকে‌।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প কর্মতীর্থ বদলে দিয়েছে খোকন শেখের জীবন। আবার এটাও বলা ভালো, করোনা পরিস্থিতি, লকডাউনে বিকল্প কাজের সন্ধানে থাকা অনেকেই অনুসরণ করতে পারেন খোকনের অদম্য মনোভাবকে।

কালনার ডাঙাপাড়ার যুবক খোকন শেখ কয়েক বছর আগে মুম্বাই গিয়েছিলেন কাজের সন্ধানে। সেখানে লেডিজ টেলারিংয়ের কাজ শেখেন। বছর চারেক আগে কালনায় ফিরে কর্মতীর্থে একটি দোকানঘর পান। তবে বিগত পাঁচ মাসে লেডিজ টেলারিংয়ের অবস্থা শোচনীয় জায়গায় পৌঁছেছে। তবে তাতে দমেননি খোকন। অভিজ্ঞতা সম্বল করে তাই মাস্ক বানাতে শুরু করেন বিকল্প ব্যবসা হিসেবে।

স্বাধীনতা দিবসের আগে খোকনের দোকানঘরে গিয়ে দেখা গেল স্ত্রী সাহিনূর বিবিকে নিয়ে তিনি তেরঙা মাস্ক বানাচ্ছেন। ইলাস্টিক দেওয়া কাপড়ের মাস্কগুলি নজরকাড়া, দাম ১৫ থেকে ২০ টাকার মধ্যে। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ছোট সাইজের মাস্ক তৈরি করা হচ্ছে। অগ্রিম অর্ডার দিলে ছাড়ের বন্দোবস্তও রয়েছে। খোকন আর তাঁর স্ত্রীর কথায়, মমতাদিদি কর্মতীর্থে দোকানের ব্যবস্থা করেছিলেন বলে নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে লকডাউনেও সংসার চালাতে পারছি। কাজের সন্ধানে যেতে হচ্ছে না

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা