সারা বিশ্বজুড়ে এক অনিশ্চয়তার ঝড় বইছে। করোনাকালে কখন কি হয় সে আশঙ্কায় ভুগছে প্রতিটি মানুষ।
উন্নয়নশীল এবং উন্নত দেশগুলিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে মানুষ।

জীবন ও জীবিকার মতই যেকোনো আনন্দ-উৎসবের মধ্যেও রয়েছে হতাশা। তবে পূর্বনির্ধারিত বিয়ের যে কোনো অনুষ্ঠান বা কোন শুভ অনুষ্ঠান চাইলেই পিছিয়ে দেওয়া যায় না।

পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠানসূচি মেনে সব নিয়ম পালিত হলেও নববিবাহিত বর-বউকে নতুন সংসার গড়ার আগে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত।

১. নববিবাহিতদের (newly married) কাছে বিয়ের পরের সময়টা সবথেকে বেশি ঘনিষ্ঠ হওয়ার সময়। তাই হানিমুন অর্থাৎ মধুচন্দ্রিমায় (honeymoon) যাওয়ার ব্যাপারে একটা বিশেষ উৎসাহ থাকে তাদের মধ্যে।

কিন্তু এই পরিস্থিতিতে বাইরে বেড়াতে যাওয়াটাও চিন্তার বিষয়। তাই নিজেদের বন্দি না রেখে বরং আশেপাশে কোথাও ঘুরে আসুন অথবা আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতেও ঘুরতে যেতে পারেন।

২. এই মহামারীর সময় বাড়ির বাইরে বেরোনো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে যেসব জায়গায় লকডাউন হয়েছে সেখানে সব শর্ত মেনে বাড়ির বাইরে পা রাখা কোন মতেই সম্ভব নয়।

আরো পোস্ট- ৪০০ বছরের পুরনো মন্দিরে মন্ত্র পড়ে রোবট!

তাই বলে নিজেদের মধ্যকার মধুর সম্পর্ক যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয় তা দেখবেন।

বিয়ের পরবর্তী সময়ে আপনারা আরো কাছে আসতে পারেন নিজেদের ছোট ছোট স্মৃতিরোমন্থনের মাধ্যমে। আবার চাইলে বাড়িতেই মিনি হানিমুন করতে পারেন। ক্যান্ডেল লাইট ডিনার বা একান্তে কিছু সময় কাটানো এটাও কম কিসে?

৩. এসময় কোনভাবেই বিয়ের পরেই সঙ্গে সঙ্গে হানিমুনের কথা একেবারেই ভাববেন না। আপাতত পরিস্থিতি বিচার করে মন খারাপ হলেও হানিমুনকে আপনাদের প্রেম জমানোর জায়গা থেকে বাদ দিন।

৪. নববিবাহিত (newly married) মানেই যে সব সময় মন ভালো থাকবে এমনটা নয়। বিভিন্ন কারণে এদের মধ্যে বিবাদ হতেই পারে। তাই এ সময়ে মানসিকভাবে সুস্থ থাকা খুবই জরুরী নতুন সংসার করার পক্ষে।

তাই প্রতিদিন সকালবেলা উঠে নিয়ম করে কিছুটা সময় নিজেদের জন্য বের করুন। সে সময়টায় কোনভাবে শরীরচর্চা অথবা যোগাভ্যাস করতে পারেন। এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং মেজাজ থাকবে ফুরফুরে।

৫. যেহেতু এই সময়ে বেশিরভাগ মানুষই বেশি থাকে বাড়ির মধ্যে। তাই বিয়ের পর পরই কোন মেয়ে একান্নবর্তী পরিবারে (joint family) গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মানিয়ে উঠতে নাও পারে এত লোকের মাঝে। তার মনে হতেই পারে যে প্রাইভেসি নষ্ট হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তার নতুন স্বামীকে (newly married) তার পাশে দাঁড়াতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.