কলকাতা২৪x৭: শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম ভীষণ জরুরি। ঘুমোলে বিশ্রাম পায় মস্তিষ্ক, ও শারীরিক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। অনেকই রাতে সময় মতন ঘুমোতে গিয়েও ঘুমোতে পারেন না, বালিশে মাথা দিয়ে নড়া চড়া করতে করতে দিনের আলো ফুটে যায়। পরের দিন আর কাজ করার মতো শক্তি থাকে না বা শেষ বেলায় ঘুমিয়ে ঘুম থেকে উঠতে অনেক দেরি হয়ে যায়। ঘুম না হওয়ার এই সমস্যাকে ইনসোমনিয়া বলে।

ঘুম না হওয়ার পিছনে মূলত অবসাদ, দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস বা দীর্ঘক্ষণ ধরে মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করা দায়ী। অনেকই ঘুম না হলে ঘুমের ওষুধ খেয়ে নেন, কিন্তু নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খাওয়া খুব খারাপ অভ্যেস ও ঘুমের ওষুধের বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। খুব সহজ কয়েকটি খাবার খেলেই সহজেই এই ঘুম না হওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আসুন দেখে নিই।

আখরোট: আখরোট হার্টের জন্য ভালো। এছাড়াও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে আখরোটে উপস্থিত মেলাটোনিন পর্যাপ্ত ঘুম হতে সাহায্য করে।

কলা: কলা ইনসোমনিয়া রুখতে সাহায্য করে । কলাতে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম, সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন থাকে যা ঘুমের পক্ষে উপযোগী। ঘুমোতে যাওয়ার আগে শুধু কলা খেতে ইচ্ছে না করলে কলা দিয়ে স্মুদি বানিয়ে খেতে পারেন। একটি কলা, সামান্য ঠান্ডা দুধ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে খেয়ে নিন। কাজ হবে।

তুলসী: তুলসী পাতা বা তুলসী বীজ ঘুমের জন্য উপকারী। তুলসিতে থাকে হাইড্রা অ্যালকোহলিক এক্সট্র্যাক্ট ও এসেন্সিয়াল অয়েল যা ঘুমের জন্য উপকারী।

গরম দুধ: ছোটবেলা থেকে মা ঠাকুমা ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধ খেতে বলতেন। এটিও একটি উপকারী টোটকা। চিকিৎসকদের মতে দুধে রয়েছে অ্যমিনো অ্যাসিড ও ট্রিপটোফ্যান যা ঘুমের পক্ষে উপযোগী।

ডাবের জল: ডাবের জল শরীর ঠান্ডা রাখে সেটা সকলেই জানেন। ডাবের জলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম যা পেশিকে শিথিল করে ও ভালো করে ঘুমোতে সাহায্য করে

এছাড়াও ভালো ঘুমের জন্য স্ট্রেসের পরিমাণ কমান, ঘুমোতে যাওয়ার আগে মোবাইল ও কম্পিউটার এড়িয়ে চলুন। আর কাজের চাপ যতই থাক কফি বা ক্যাফিন জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলুন। এই অভ্যেস গুলো ভালো ঘুম হতে সাহায্য করবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.