কলকাতা: যারা চশমা পরেন নিয়মিত, তাদের মেকআপে সমস্যা একটাই তা হলো যে চোখ ঢেকে যায় ও চোখের মেকআপ বোঝা যায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে কন্ট্যাক্ট লেন্স ছাড়া নেই কোনো উপায়। চোখের সৌন্দর্য প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয় এই অনুষঙ্গটি। তবে তাদের মেকআপ করার সময় একটু বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। কারণ সামান্য অসাবধানতাতেও চোখের ক্ষতি হতে পারে।

১. আপনি যদি কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তবে চোখের মেকআপ করার সময় পাউডার আইশ্যাডো ব্যবহার করবেন না। এক্ষেত্রে, আপনি বিশেষ কিছু ওয়েট বা ক্রিমি আইশ্যাডো ব্যবহার করতে পারেন। পাউডার আইশ্যাডো ব্যবহার করলে চোখের ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। যার ফলে লেন্সের জন্যে চোখে জ্বালা এবং ইনফেকশন হতে পারে।

 

২. লেন্স পরার আগে হাত যেন একদম পরিষ্কার থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। পাশাপাশি, হাতে কোনো ধরনের মেকআপ বা নোংরা যাতে না লেগে থাকে সেদিকেও নজর দিন। লেন্স খোলার সময়েও এই বিষয়টা মাথায় রাখবেন।

৩. মাস্কারা পরতে গিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। চোখের পাতার সঙ্গে ব্রাশ জড়িয়ে চোখের ভিতর কালি ঢুকে যায় অনেকের। তাই মাস্কারা লাগানোর সময়ে বেশি সচেতন থাকুন। হালকা হাতে এক কোট মাস্কারা পরলেই যথেষ্ট।

 

৪. লাইনার লাগানোর সময়ও সতর্ক থাকবেন। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে লাইনারটি চোখের ভিতরে না ঢুকে যায়। চোখে লাইনার ঢুকলে জ্বালা করে এবং চোখে জল আসে। এর ফলে আপনার লেন্স নষ্ট হতে পারে। চোখের ওয়াটারলাইনে কাজল বা আইলাইনার পরবেন না।

৫. আপনি যদি কনট্যাক্ট লেন্স পরেন, তবে মেকআপ তোলার আগে কনট্যাক্ট লেন্স খুলে ফেলুন। এর পরে লেন্স পরিষ্কার করে এর জায়গায় রাখুন। কনট্যাক্ট লেন্স পরে ঘুমিয়ে পড়বেন না। চোখের মেকআপ সর্বদা তুলোর সাহায্যে তুলবেন।

 

৬. চোখের মেকআপগুলো অয়েল ফ্রি এবং ওয়াটার প্রুফ হলে খুব ভালো হয়। নাহলে কাজল ও মেকআপ গলে গিয়ে তা চোখের মধ্যে ঢুকে যাওয়ার ভয় থাকে। এর থেকে নানা সমস্যা হবে

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।