coronavirus_death

নয়াদিল্লি : করোনা নিয়ে গবেষণায় বেরিয়ে আসছে নয়া তথ্য। যা রীতিমত চিন্তায় ফেলছে চিকিৎসকদের। আগে বলা হচ্ছিল, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টই এই প্রাণঘাতী রোগের উপসর্গ। কিন্তু সকলের উপসর্গই এক রকমের নয়। কোভিড ১৯ এ আক্রান্তের নানা রকমের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সামান্য থেকে সাংঘাতিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ২ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গগুলি দেখা দিতে পারে।

এক্সপ্রেস. কো. ইউকের একটি রিপোর্ট বলছে কোনও ব্যক্তির করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে তা জানা যাবে আরও একটি অংশে ব্যথার লক্ষ্মণ দিয়ে। কবজির ব্যথার কথা এক্ষেত্রে বলছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন কবজিতে আচমকা ব্যথা হলে বা অস্বস্তিকর অনুভূতি হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন দ্রুত। কারণ এটি করোনা সংক্রমণের উপসর্গ হতে পারে।

নিউইয়র্কের চিকিৎসক ওয়ালিদ জাভেইদ বলছেন এই ব্যথা করোনা উপসর্গের প্রথম ধাপ হতে পারে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমতে থাকলে এই ধরণের ব্যথা হতে পারে কবজিতে। এছাড়াও আরও বিশেষ কয়েকটি উপসর্গের দিকে নজর রাখতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ লাগা বা ব্যথা হওয়া, নীলচে ঠোঁট বা মুখ এই উপসর্গগুলি দেখলেই চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

প্রথমের দিকে বলা হচ্ছিল নাক দিয়ে অনবরত জল পড়া ও হাঁচিও এর উপসর্গ। কিন্তু জানা যাচ্ছে হাঁচিকে এখনও করোনার উপসর্গ বলা যাচ্ছে না এবং নাক দিয়ে জল পড়া খুব কম রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে। এছাড়াও ৩০ ও ৪০ এর উপরে যাঁদের বয়স তাঁদের আচমকা স্ট্রোকও হচ্ছে কারণ রক্ত ঘন হয়ে যাচ্ছে ও জমাট বাঁধছে। মার্চের শেষের দিকে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্রথম এই উপসর্গ দেখেন। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত জমাট বাঁধতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে, জানা গিয়েছে, এশিয়ার বিভিন্ন ওয়েট মার্কেট নাকি এখনও খোলা। আর সেখানে চুটিয়ে বিক্রি হচ্ছে বাদুড়, যা থেকেই মূলত করোনা সংক্রমণ হয়েছে বলে শোনা যায়। শুধু বাদুড় নয়, বিক্রি হচ্ছে বাঁদরের মাংসও। অ্যানিম্যাল রাইটস গ্রুপ ‘পেটা’ সম্প্রতি সেই ভিডিও প্রকাশ করেছে। ফুটেজ রেকর্ড করেছে ওই সংস্থা।

সেখানে দেখা যাচ্ছে বাজারে বিক্রি হচ্ছে জ্যন্ত কুকুর, বাঁদর, সাপ, বাদুড়। পেটা-র তরফ থেকে সরকারের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পেটা প্রেসিডেন্ট ‘ইংরিদ নিউকার্ক’ একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, তাঁরা এই বাজার বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছেন। এশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় রমরমিয়ে চলছে এই বাজার।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প