নয়াদিল্লি: স্কুল, অফিস, বিমানবন্দর এবং মার্কেটের মত প্রকাশ্য স্থানে প্রার্থনা ঘর বন্ধ করে দেওয়া উচিত। মুসলিমদের নমাজ পড়া নিয়ে ট্যুইটারে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিতর্কত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। এখানেই শেষ নয়, দিনে নমাজ পড়ার সংখ্যা পাঁচবার থেকে কমিয়ে একবার করা উচিত বলেও দাবি জানান তিনি। যদিও এই নিয়ে ট্যুইটারেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

তসলিমা নাসরিন বরাবরই নিজেকে ‘ধর্ম নিরপেক্ষ’ বলে দাবি জানাতেন। এবার তাঁর ট্যুইটে যেন সেই ছাপই দেখা গেল। জার্মানি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রার্থনা কক্ষ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পক্ষে সওয়াল করে তসলিমার ট্যুইট, “জার্মানির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রার্থনা কক্ষ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভালো সিদ্ধান্ত। মুসলিমরা ক্ষুব্ধ। আসলে কেবল যেন তারাই প্রার্থনা করে।’’ ধর্ম কোনও সংস্কৃতি নয় মন্তব্য করে দেশত্যাগী এই লেখিকা বলেন, “সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রন্থাগার, অফিস, বিমানবন্দর, স্টেশন, মার্কেটে প্রার্থনা কক্ষ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। যদি তোমাকে প্রার্থনা করতে হয় তাহলে নিজের বাড়িতে কর।’’ এদিন মুসলিমদের নমাজ পড়া নিয়ে একগুচ্ছ ট্যুইট করেন তসলিমা। নমাজ পড়ার সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রসঙ্গে তাঁর যুক্তি, “আগে মানুষ দিনে ৫০ বার নমাজ পড়ত। ধর্মপ্রবক্তরা যখন পক্ষীরাজ ঘোড়ায় করে স্বর্গে যান এবং ঈশ্বরের সঙ্গে দেখা করেন, তখন তাঁকে প্রার্থনা ৫০ বার থেকে ৫ বার কমিয়ে আনতে বলেন। এখন ৫ বার থেকে ১ বারে কমিয়ে আনার সময় এসেছে।’’