নয়াদিল্লি : ভারতীয় বিচার ব্যবস্থায় এবার থেকে আরও বেশি করে প্রাধান্য পাবেন মহিলারা। বসতে পারবেন সুপ্রিম কোর্টের শীর্ষাসনে। হতে পারবেন দেশের প্রধান বিচারপতি । লিঙ্গ বৈষম্য নয়, বরং বিচার ব্যবস্থায় আরও বেশি করে নারীদের নিয়োগের পক্ষেই সওয়াল করল দেশের শীর্ষ আদালত।

জানা গিয়েছে, দেশের মাত্র ১১.০৪ শতাংশ মহিলা বিচারক পদে আছেন। এমনকি সেই ১৯৫০ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের ৪৮ জন প্রধান বিচারপতির মধ্যে একজনও মহিলা বিচারপতি নেই। এছাড়াও স্বাধীনতার পর দেশের শীর্ষ আদালতে ২৪৭ জন বিচারপতিদের মধ্যে মাত্র ৮ জন মহিলা ছিলেন। এখনও পর্যন্ত সেই সংখ্যার কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। ফলে এবার থেকে ভারতীয় বিচার ব্যবস্থায় আরও বেশি করে মহিলাদের নিয়োগ করার পক্ষেই সওয়াল করেছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ।

কোনও রকম অসাম্য নয় বরং আইন ব্যবস্থায় আরও বেশি করে মহিলারা নিযুক্ত হোক সেই কথায় জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এস. এ বোবদে। জানা গিয়েছে, মহিলা বিচারপতি শোভা গুপ্তা এবং স্নেহা কলিতার করা অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে যে, এবার থেকে দেশের শীর্ষ আদালতে মহিলা বিচারপতিও নিয়োগ করা হবে। যদিও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বেঞ্চ অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, বেশিরভাগ মহিলাই গৃহস্থালির কাজকর্ম এবং সন্তানের পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই পেশায় আসতে খুব একটা আগ্রহ দেখান না।

তবে ওই মহিলা আইনজীবীরা একটি চার্টে উল্লেখ করে জানিয়েছেন যে, দেশের মধ্যে ২৫ টি হাইকোর্টের মধ্যে মাত্র একটি হাইকোর্টে প্রধান মহিলা বিচারপতি রয়েছেন। ( তেলঙ্গনা হাইকোর্টের মুখ্য বিচারপতি হিমা কোহলি)। এছাড়াও হাইকোর্টের অন্যান্য ৬৬১ জন বিচারকদের মধ্যে মাত্র ৭৩ জন মহিলা। শতকরা হিসেবে যা দাঁড়ায় ১১.০৪ শতাংশ।

শুধু তাই নয়, দেশের মধ্যে মণিপুর, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখন্ড এবং ত্রিপুরাতে হাইকোর্টে বিচারক পদে কোনও মহিলা আইনজীবী নেই। যারফলে বিচার ব্যবস্থায় এই বৈষম্য দূর করতে এবং নারীদের আরও বেশি করে এই পেশার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এবার থেকে মহিলাদেরও প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.