মেলবোর্ন: অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট আর স্লেজি একে অপরের পরিপূরক! কিন্তু এখন আর সেটা দেখা যায় না৷ বিরাট কোহলির ভারতের বিরুদ্ধে তো নয়ই৷ এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মাইকেল ক্লার্ক৷ কিন্তু দু’দিনের ব্যবধানেই পূর্বসূরির মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন বর্তমান অজি অধিনায়ক টিম পেইন৷

আইপিএলের চুক্তির জন্য কোহলি ও তাঁদের দলের অনান্য খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে স্লেজিং করতে ভয় পান অজি ক্রিকেটাররা৷ মঙ্গলবারই এই মন্তব্য করেছিলেন বিশ্বকাপজয়ী অজি অধিনায়ক ক্লার্ক৷ কিন্তু শুক্রবার ক্লার্কের এই দাবি উড়িয়ে দেন পেইন৷ ইএসপিএনক্রিকইনফো-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক জানান, ‘বিরাটকে আউট করার জন্য ওকে স্লেজি করতে আমি কাউকে দেখিনি৷ আমি জানি, আমাদের বোলাররা তাদের সেরাটা দিয়ে গিয়েছে৷ আর ব্যাটিং করার সময়ও আমরা অস্ট্রেলিয়াকে জেতাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম৷’ অজি টেস্ট ক্যাপ্টেন আরও বলেন, ‘আমরা ওকে স্লেজিং করতে চায়নি, কারণ এতে ওর সেরা খেলাটা বেড়িয়ে আসবে৷’

২০১৮-১৯ মরশুমে শেষবার অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল ভারত। সেই সফরে বিরাট কোহালির বিরুদ্ধে খুবই নমনীয় মনোভাব দেখিয়েছিলেন পেইনরা। অজিরা সাধারণত মাঠে আগ্রাসন দেখিয়ে থাকেন। কিন্তু সেই সফরে কোহলির আগ্রাসনের কাছে হার মানতে হয়েছিল অজিদের। প্রথমবার ঘরের মাঠে ভারতের কাছে টেস্ট সিরিজ হারে পেইনের অস্ট্রেলিয়া৷ এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জেতে ভারত৷ এই সিরিজ প্রসঙ্গে ক্লার্ক মন্তব্য করেন, আইপিএল-এ মোটা অঙ্কের চুক্তির জন্যই কোহলি ও ভারতীয় দলের অন্য ক্রিকেটারদের স্লেজিং করেনি অস্ট্রেলিয়া।

দু’দিন আগেই ক্লার্ক বলেছিলেন, ‘আমরা প্রত্যেকেই জানি আর্থিকভাবে ভারতীয় ক্রিকেট কতটা শক্তিশালী। তা সে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হোক অথবা ঘরোয়া ক্রিকেটে। আমার মনে হয় শুধু অস্ট্রেলিয়ানরাই নয়, অন্যান্য দেশের ক্রিকেটাররাও চটাতে ভয় পান কোহলি সহ অন্যান্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের। কারণ, তারা জানে এপ্রিলে এই ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গেই তাদের ড্রেসিংরুম শেয়ার করতে হবে।’

ভারতের পরবর্তী অস্ট্রেলিয়া সফর চলতি বছরের অক্টোবর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে৷ এই সিরিজে চারটি টেস্ট, তিনটি ওয়ান ডে এবং তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলার কথা বিরাটদের৷ কিন্তু করোনা আবহে এই সিরিজ এখন নিশ্চিত৷ অসট্রেলিয়া মাটিতে চলতি বছর অক্টোবরে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ করোনার জন্য অনিশ্চিত৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও