ইসলামাবাদ : বন্ধুত্বের দাবি মেটাতেই হয়। আর চিন-পাকিস্তানের সখ্যতার কথা বিশ্বের কোনও রাষ্ট্রেরই অবিদিত নয়। সেই বন্ধুত্বের দাবি মেনেই জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও অ্যাপ টিকটক ফিরল পাকিস্তানে। ১০ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়ে ফের বহাল তবিয়তে পাকিস্তানে বজায় রইল টিকটক।

সূত্রের খবর চিনের তরফ থেকে চাপ দেওয়ার ফলেই বাধ্য হয়ে পাকিস্তান সরকার টিকটক ফিরিয়েছে। টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় পাকিস্তানের রক্ষণশীল গোষ্ঠীর চাপে। তবে পরে চিনের তরফ থেকে চাপ দেওয়া হলে টিকটক ফেরাতে বাধ্য হয় ইসলামাবাদ।

১০ অক্টোবর ভারত ও আমেরিকার পর পাকিস্তান চাইনিজ অ্যাপ টিকটককে ব্লক করে দেয়। পাকিস্তানের টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ)র কাছে অনৈতিক ও অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রচার করার অভিযোগ আসে টিকটকের বিরুদ্ধে, এরপরেই ব্যান করা হয় টিকটক।

জানা যায়, প্রথমে অভিযোগ আসার পরেও টিকটককে ওয়ার্নিং দেয় পাকিস্তান। তবুও, টিকটক কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন কর্তৃপক্ষ চাইনিজ অ্যাপটি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সমাজের নানান অংশ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে পিটিএ এই ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপটি ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে। পাকিস্তানের জিও নিউজের রিপোর্টে বলা হয়, টিকটক কোম্পানি অনলাইন কনটেন্টের ওপর নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। তাই টিকটককে ব্লক করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান টেলিকমিউনিকেশন কর্তৃপক্ষকে ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এবং অ্যাপসকে অশ্লীলতা মুক্ত করতে বলেছিলেন। এরপরেই পিটিএ পাঁচটি ডেটিং অ্যাপ নিষিদ্ধ করে। যাদের বিরুদ্ধে নগ্নতা এবং সমকামিতা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভারতেও নিষিদ্ধ হয়ে রয়েছে টিকটক। সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে চলতি বছরের জুনের শেষ সপ্তাহে টিকটক হ্যালো এবং শেয়ারইট সহ চিনের ৫৯ টি অ্যাপ্লিকেশন নিষিদ্ধ করে কেন্দ্র। পরে, জুলাইয়ের শেষদিকে আরও ৪৭ টি চিনা অ্যাপস নিষিদ্ধ করা হয়।

এদিকে, পাকিস্তান টিকটক ব্যান করার পর থেকেই ইসলামাবাদকে চাপ দিতে শুরু করে চিন। বড় দাদার কথা মেনে অবশেষে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।