নয়াদিল্লি: করোনার বিরুদ্ধে লড়ছে দেশ। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার বৈঠকে দেশের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বৈঠকেই ১১ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ‘টিকা উৎসব’-এর ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী । তিনি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ১১ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টিকা উৎসব অভিযান পালন করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে যতটা সম্ভব টিকাকরণ করা হোক।

পাশাপাশি মাস্ক পরা ছাড়াও সকলকে করোনা বিধি মেনে চলতে অনুরোধ করেছেন মোদী। এখন আমাদের কাছে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সব ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েও তিনি বলেন, আগের তুলনায় মানুষ এখন অনেক বেশি অসতর্ক হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে এখনই যে সম্পূর্ণ লকডাউনের দিকে দেশ হাঁটতে চাইছে না, সেকথাও এদিন জানিয়ে দিয়েছেন নমো। তিনি জানান, মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনের দিকে নজর দেবে সরকার। অর্থাৎ অত্যাধিক সংক্রামিত এলাকাগুলিকে কন্টেনমেন্ট জোন করে বিচ্ছিন্ন করার কথাই ভাবা হচ্ছে।

আরও খবর পড়ুন – একাধিক ফ্ল্যাট-গাড়ি, হিরে-প্ল্যাটিনামের গয়না…শ্রাবন্তীর সম্পত্তির পরিমাণ দেখলে চমকে যাবেন

করোনাকে রোধ করতে গেলে যে করোনা পরীক্ষার ওপরেও জোর দিতে হবে, সেকথাও জানিয়েছেন মোদী। তিনি বলেন, প্রাথমিক লক্ষণগুলিতে আমাদের ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমাদের টেস্টিং-এর সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। যে করেই হোক পজিটিভিটি রেটকে ৫ শতাংশের নীচে আনতেই হবে।”

আমাদের কাছে এখন ভ্যাকসিন আছেন বলে জানিয়েও মোদী বলেন, টিকা নেওয়ার পরও সতর্ক থাকতে হবে। উপসর্গহীন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা মোকাবিলায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি করোনা কার্ফু বা নাইট কার্ফুও জায়গা পেয়েছে মোদীর কথায়। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ও বিদেশে যে নাইট কার্ফু চলছে, এই ‘নাইট কার্ফু’ শব্দের বদলে ‘করোনা কার্ফু’ শব্দটি ব্যবহার করার কথা জানিয়েছেন মোদী।

করোনাকে রুখতে কোনোরকম গাফিলতি বা কোনোরকম ঢিলেমি দেওয়া যে চলবে না সে কথা এদিনের বৈঠকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।