নয়াদিল্লি: রাতের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে টিক টক। চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ কররা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই এমন ঘটনা চোখে পড়েছে। এরপরই এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন এই চিনা সংস্থা।

এই অ্যাপ নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে এবার সরকারের সঙ্গে কথা বলতে চলেছে এই সংস্থা। কেন অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হল, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হবে সরকারের কাছে।

টিক টকের ভারতীয় শাখার প্রধান নিখিল গান্ধী একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। তিনি ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘সরকারের তরফভ থেকে টিক টক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমাদের তরফ থেকে সরকারের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। ভারতীয় আইন মেনেহী আমরা ডেটা সংরক্ষণ করি। ভারতীয় গ্রাহকদের ডেটা চিন বা অন্য কোনও সরকারের সঙ্গে আদান-প্রদান করা হয় না। ভবিষ্যতেও আমরা এরকম কিছু করব না।’

একধাক্কায় ৫৯ টা চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। সোমবার এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল ভারত সরকাররে তরফে। এরপরই এই ইস্যুতে পূর্ণ বিবৃতি দিল ভারত সরকার।

আর সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, এইসব অ্যাপের ডেটা গিয়ে জমা হত ভারতের বাইরে থাকা কোনও সার্ভারে। সেইসব সার্ভার চিনে রয়েছে বলেই জানা যায়। তাই এইসব অ্যাপ ভারতের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছিল বলে অভিযোগ।

ইতিমধ্যেই বহু মানুষ এই বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে এই বিষয়টিকে। আর তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। এমনটাই জানা গিয়েছে। অনেকে বলছেন, মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত চিনের সাইবার দুনিয়ার উপর কার্যত ডিজিটাল স্ট্রাইক। এই সিদ্ধান্তে খুশি দেশের মানুষ। কার্যত চিনকে উচিৎ শিক্ষা বলেও মন্তব্য অনেকের।

প্রসঙ্গত, লাদাখে গালওয়ান ভ্যালিতে চিনা হামলার পর থেকেই চিনা দ্রব্য বয়কট করার পক্ষে সওয়াল করেছিল ভারতের মানুষ। এর মধ্যে সবার উপরে রয়েছে জনপ্রিয় অ্যাপ টিক টক। যে অ্যাপের মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন বহু মোবাইল ব্যাবহারকারী। আর সেটি একটি চিনা অ্যাপ। তাই লক্ষ লক্ষ সাবস্ক্রাইবার থাকা সত্বেও নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল সেই অ্যাপ। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক জনপ্রিয় অ্যাপ।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV