নয়াদিল্লি: এক মুসলিম জেলবন্দি আসামীর পিঠে জোর করে ট্যাটু আঁকাতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠল জেলেরই দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের বিরুদ্ধে। শনিবার, আসামীর মুক্তির দিনই নক্কারজনক এই ঘটনা এল প্রকাশ্যে। তিহার জেলে বন্দি ওই আসামীর অভিযোগ জোর করে তার পিঠে “ওম” ট্যাটু আঁকাতে তাকে বাধ্য করেছেন জেলের সুপারিনটেনডেন্ট রাজেশ চৌহান।

নয়াদিল্লির নিউ সীলাম্পুরি এলাকার বাসিন্দা নব্বির। অস্ত্র চোরাচালান মামলায় অভিযুক্ত। তিহার জেলের জেল নং ৪ এর হাই রিস্কড ওয়ার্ডে রাখা হয় নাব্বির আলিয়াস পোপাকে। জেলের এআইজি জনসংযোগ আধিকারিক এদিন জানিয়েছেন, এই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই তদন্তে রিপোর্ট পেশ করা হবে কোর্টে।

এএনআইকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোর্টে এই তদন্তের রিপোর্ট পেশ করা হবে। আদালতের নির্দেশে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।” সমস্ত বিষয় শুনে আদালত একটি প্রছন্ন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তাই আদালতের নির্দেশের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। এমনটাও বলেন তিনি।

নাব্বির নামে ওই কয়েদি অভিযোগ করে তিহার জেলে বন্দি থাকার সময় তার পিঠে জোর করে “ওম” ট্যাটু আঁকাতে তাকে বাধ্য করা হয়। আজ তার মুক্তির দিন করকরদমা আদালতে পেশ করা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাশাসক রিচা পরাসরের সামনে নিজের জামা খুলে ফেলে নাব্বির দেখান তার পিঠে আঁকা ট্যাটুটি। সেই সঙ্গে জানান, তিহার জেলে তার ওপর কিভাবে অত্যাচার করা হত সেই কাহিনী। তিনি জানান কিভাবে তার পিঠে জ্বলন্ত ধাতু দণ্ড দিয়ে ওই ট্যাটু এঁকে দেওয়া হয়। তাকে উপবাস করতেও বাধ্য করা হয়।

এই সমস্ত অভিযোগ শুনে পূর্ণ তদন্ত চেয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পেশ করতে বলে আদালত। সেই সঙ্গে বিচারপতি নির্দেশ দেন, ওই জেলবন্দির নিরাপত্তা সুনিসচিত করতে এবং সুপারইনটেনডেনট রাজেশ চৌহানের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ তত্ত্বাবধান থেকে তাকে দূরে রাখতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.