নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসের ছায়া এবার তিহার জেলেও৷ জানা গিয়েছে কোভিড ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বছর বয়সি এক ব্যক্তি৷ জানা গিয়েছে ৬২ বছর বয়সি মারা যান সোমবারে৷ ওই কয়েদির নাম কানয়ার সিং৷ ইতিমধ্যে দেশে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ৷ তবে জেলে থাকা ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার খবরে স্বাভাবিকভাবে আতঙ্কিত ওই জেলের বাকিরা৷ জেলের মধ্যে কীভাবে কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন তা নিয়েই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷

তিহার জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরে তার সংস্পর্শে কে কে গিয়েছিলেন তা খোঁজার চেষ্টা চলছে এবং তাদের আলাদা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ জানা গিয়েছে, কানয়ার সিং নামের ওই ব্যক্তি ১৫ জুন অচৈতন্য অবস্থাতে জেলের মধ্যেই পাওয়া যায়৷ প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কোনও কারণ ডাক্তারেরা খুজে পাননি৷ ওই ব্যক্তি ২০১৬ সালের খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে ওই জেলে ছিলেন৷

২০১৮ সালে তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছিল৷ সেই থেকেই তার ঠিকানা ছিল ওই তিহার জেল৷ ওই জেলের আধিকারিকদের তরফে জানা গিয়েছে, জেলের বয়স ব্যক্তিদের করোনা সংক্রমণ পরীক্ষা করা হয়েছিল৷ আর সেখানেই ওই ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ আসাতে অবাক হয়েছেন সকলে৷ এখনও পর্যন্ত ওই জেলে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ জন৷ যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৬ জন৷ একজন মারা গিয়েছেন৷

তাছাড়াও ৪৫ জন জেলকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন এই ঘাতক ভাইরাসে৷ যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন মাত্র ৭ জন৷ দেশ জুড়ে ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লক্ষ পেরিয়ে গিয়েছে৷ তবে তার মধ্যে জেলের মধ্যে কীভাবে এই ভাইরাস এল তা এখন প্রধান ভাবনা সকল জেলকর্মীর৷ অন্যান্য জেলেও ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে৷ সকল পুলিশ কর্মী এবং কয়েদিরা সাবধানে থাকেন তা জানানো হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।