স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ফের সীমান্ত এলাকায় তোলাবাজদের দাদাগিরি৷ টাকা দিতে আপত্তি করায় বেধড়ক মারধর করা হল এক লরি চালককে৷ ইংরেজবাজার থানা এলাকার ঘটনা৷ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির মধ্যে মালদহের বেশ কিছু জায়গায় তোলাবাজদের দাপটে প্রাণ ওষ্ঠাগত লরি চালকদের৷

আরও পড়ুন: ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া হল টিকিট চেকারকে

যখন তখন গাড়ি থামিয়ে তারা টাকা চায়৷ আর তা না পেলে চলে মারধর৷ যেমনটা হল মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের জহুরুল হোসেন (৩০)এর সঙ্গে৷

জহুরুল শুক্রবার পিঁয়াজ বোঝাই লরি নিয়ে মালদহের সীমান্তবর্তী মহুদিপুর আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য বন্দরে যাচ্ছিলেন৷ সীমান্তে লরি আসতেই একদল তোলাবাজ টাকা চায়৷ কিন্তু তা দিতে রাজি হয়নি জহুরুল৷ এরপরই তাঁকে লরি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ৷ তাঁর ডান চোখে গুরুতর আঘাত লাগে৷

আরও পড়ুন: বিজেপি প্রার্থীর বাড়ির সামনে আগুন দেওয়ায় অভিযুক্ত তৃণমূল

জহুরুলের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে পালিয়ে যায় তোলাবাজের দল৷ তাঁকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কারা এই ঘটনায় যুক্ত তা খতিয়ে দেখছেন ইংরেজবাজার থানার পুলিশ৷ দাবি উঠেছে নজরদারি বাড়ানোর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।