থানে: ৩৫ ফুট উচু সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল একটি বাঘের। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে, মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলা থেকে ২৭ কিমি দূরে কুনাদা গ্রামে। সেতু থেকে নদীর জলে ঝাঁপ দেওয়ার সময়ই ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

জানা গিয়েছে, ৩৫ ফুট উঁচু সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার সময় আচমকা বাঘটি নদীর মধ্যে থাকা পাথরের খাঁজে আটকে যায়। পাথরের খাঁজে আটকে গিয়ে বাঘটি এতটাই আঘাত পেয়েছিল যে তার মেরুদণ্ড খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ফলে সে কোনও ভাবেই আর ওই খাঁজের ভিতর থেকে উঠে আসতে পারছিল না।

বৃহস্পতিবার সকালে বাঘটি মারা যায়। বাঘটির মৃত্যুর খবর জানিয়েছে, চন্দ্রপুর সার্কেলের চিফ ফরেস্ট কনজারভেটর এসভি রামারাও। তিনি জানিয়েছেন, বাঘটি এতটাই বিপদজনক ভাবে আটকা পড়েছিল যে তাকে উদ্ধারে বন দফতরের কর্মীরা ব্যর্থ হন। বাঘটির উদ্ধারের জন্য তার সামনে একটি খাঁচাও পেতে রাখা হয়। কিন্তু তাতেও উঠতে পারেনি ওই বাঘটি। জানা গিয়েছে, পাথরের খাঁজ থেকে উঠার চেষ্টা করার সময় তার দাঁতও ভেঙে গিয়েছিল। বনকর্মীদের সব রকম প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায় বাঘটি।

বন বিভাগের তরফে জানা গিয়েছে, সেতু পার হওয়ার আগে ওই বাঘটি একটি প্রাণী মেরে তার আহার সেরেছিল। এবং সেখানে কিছুক্ষন সময় বিশ্রাম নেওয়ার পরই সেতু পার হয়ে নদীতে ঝাঁপ দিতে যায় সে। তখনই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। বুধবার রাতের বেলাতেই বন দফতরের তরফে বাঘটিকে উদ্ধারের জন্য সব রকম চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়ে যায় রাতের বেলার কম আলোর জন্য। এদিকে বন দফতরের পক্ষ থেকে রাতের বেলাতেও বাঘটির গতিবিধির উপর নজর রাখা হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল হতেই বাঘটিকে আর নড়াচড়া না করাই রামারাও তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ