ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: জঙ্গলমহলে ফিরল বাঘের আতঙ্ক৷ লালগড়ে এক গোরুর গায়ে বাঘের নখের আঁচড়ের চিহ্ন মিলেছে৷ এই ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়৷ খবর দেওয়া হয়েছে বনদফতরকে৷

জানা গিয়েছে, স্থানীয় এক গ্রামবাসী সকালে গোরুর পাল নিয়ে জঙ্গলের দিকে যায়৷ কিন্তু সেখান থেকে একটি গোরু ও বাছুর দলছুট হয়ে পড়ে৷ অনেক খোঁজ করেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি৷ হতাশ হয়ে ফিরে আসেন ওই ব্যক্তি৷ পরে রাতের দিকে বাড়ি ফিরে আসে গোরু ও বাছুরটি৷ কিন্তু তাদের দেখে হতবাক বনে যান সকলে৷ গোরু ও বাছুরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন৷ সারা শরীরে রক্তের দাগ৷

এরপরেই বাঘের আতঙ্ক গ্রাস করে জঙ্গলমহলে৷ খবর দেওয়া হয় বনদফতরকে৷ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় বনকর্মীরা৷ প্রাথমিকভাবে বনকর্মীরা জানিয়েছেন, এটা বাঘের নখের আঁচড়ের দাগ নয়৷ তবুও বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখতে নারাজ৷ শুরু হয়েছে তল্লাশি৷

মাস তিনেক আগে লালগড়ের জঙ্গলে এক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের উপস্থিতি টের পান সাধারণ মানুষ৷ খবর দেওয়া হয় বনদফতরকে৷ বাঘটিকে ধরতে পাতা হয় ফাঁদ৷ তাতেও লাভ হয়নি৷ ফাঁদ পেতেও ধরা যায়নি ডোরাকাটাকে৷ শেষে একদিন জঙ্গলের ভেতর বাঘটির নাগাল পান সাঁওতালরা৷ তারাই বাঘটিকে মেরে ফেলে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।