স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : পূর্বাভাস মতো বুধবার ভোররাতে আরও একবার বৃষ্টি হল। সঙ্গে এদিনও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এমন আবহাওয়ার জেরে স্বাভাবিকের অনেকটা নীচে নেমেছে তাপমাত্রা।

রবিবার থেকেই পূর্বাভাস মতো এমনই আবহাওয়া চলছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন হয়। তারপর জেলায় জেলায় ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। মঙ্গলবার দিনভর দফায় দফায় বৃষ্টি হয়। বুধবারও বৃষ্টি হয়েছে ভোর রাতে। কলকাতাতেও তার অন্যথা হয়নি।

এর জেরে শহরের সকালের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে নেমে গিয়েছে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসই, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৬ ডিগ্রি কম। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯১ সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ০.৫ মিলিমিটার। গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১২.৫ মিলিমিটার।

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসই, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৩ সর্বনিম্ন ৪২ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১৪.৭ মিলিমিটার।

সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসই, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৮৭ সর্বনিম্ন ৪২ শতাংশ।

রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াসই, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৮৭ সর্বনিম্ন ৩৮ শতাংশ।

কিন্তু কীভাবে কেন এই পরিস্থিতির তৈরি হল? হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে তার সঙ্গে একটি অক্ষরেখাও রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের উপর। এই দুয়ের জেরে দুই থেকে ৬মে রাজ্যে প্রচুর পরিমানে আর্দ্র বাতাস প্রবেশ করবে। এর জেরেই টানা পাঁচ দিন ধরে বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

৩ মে থেকে বেড়েছে বৃষ্টির পরিমাণ। ৫ মে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে কিছু জেলায়। দক্ষিণবঙ্গের অন্য সমস্ত জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। পাঁচ এবং ৬ তারিখও একই পরিস্থিতি জারি থাকবে। সঙ্গে সর্বত্র থাকবে ঝড়ো হাওয়ার প্রভাব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.