নয়াদিল্লি : আরও একটি গ্রহণ দেখা যাবে। আজ ৫ জুলাই, রবিবার বছরের চতুর্থ গ্রহণটি দেখা যাবে। এটি পেনুমব্রাল লুনার একলিপ্স বা উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ। এই গ্রহণের আরও একটি নাম দেওয়া হয়েছে থান্ডার মুন এক্লিপ্স।

ভারতীয় সময় অনুযায়ী রবিবার গ্রহণ লাগে সকাল ৮.৩৭ মিনিটে। তা ছেড়ে যায় সকাল ১১.২২ মিনিটে। দিনের বেলা হওয়ায় ভারতে এই গ্রহণ দেখা যাবে না। গ্রহণ চলবে প্রায় ২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। এর আগে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল। সেই গ্রহণটি ভারতে রাতের বেলা হওয়ায় সেটি এখান থেকে স্পষ্ট প্রতিভাত হয়। এর পরে গত ৫ জুন আরও একটি চন্দ্রগ্রহণ হয়। সেটিও ভারত থেকে দেখা গিয়েছিল।

নিজের কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবী যখন চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে এসে যায় তখন চন্দ্রগ্রহণ হয়। তবে উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে পৃথিবীর ছায়া চাঁদকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলতে পারে না। এই সময় অনেক ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় জুলাই মাসের গ্রহণকে থান্ডার মুন এক্লিপ্স বলা হয়ে থাকে।

এছাড়া এই সময়ের চন্দ্রগ্রহণ বাক মুন নামেও পরিচিত। কারণ বছরের এই সময় পুরুষ হরিণের মাথার শিং খসে পড়ে গিয়ে নতুন করে শিং গজায়। রবিবারের গ্রহণ যে সব দেশ থেকে দেখা যাবে, সেগুলি হল – আমেরিকা, দক্ষিণ ও পশ্চিম ইয়োরোপ, আফ্রিকার পশ্চিম অঞ্চল। প্রশান্ত মহাসাগার, অ্যাটলান্টিক মহাসাগর এবং অ্যান্টার্কটিকা থেকে।

হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, দেবতা ও দানবরা মিলিত ভাবে সমুদ্রমন্থন করে অমৃত লাভ করার পরে অমৃতের ভাগ দানবদের দেওয়া হবে না বলে ঠিক করেন দেবতারা। রাহু ও কেতু নামে দুই রাক্ষস দেবতার ছদ্মবেশে অমৃত পান করতে গেলে তাঁদের চিনে ফেলেন সূর্য ও চাঁদ। এরাই শ্রীবিষ্ণুকে সেই জানিয়ে দেন। এর পর বিষ্ণু সুদর্শন চক্র দিয়ে রাহু ও কেতুর গলা কেটে দেন।

কিন্তু ততক্ষণে অমৃত রাহু-কেতুর গলা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় তাদের গলা পর্যন্ত অংশ অমর হয়ে যায়। সূর্য ও চাঁদ এদের স্বরূপ বিষ্ণুকে বলে দিয়েছিলেন, সেই রাগে এরা চাঁদ ও সূর্যের পথের ওপর অবস্থান করেন। ঘুরতে ঘুরতে চাঁদ ও সূর্য রাহু-কেতুর কাছাকাছি এলেই এরা খপ করে সূর্য ও চাঁদকে গিলে ফেলে। কিন্তু গলা কাটা থাকায় একটু পরে আবার চাঁদ ও সূর্য বেরিয়ে আসেন। তখন গ্রহণ ছেড়ে যায়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ