ব্রুসেল: আমরা জানি জীবনে সৌভাগ্য অর্জন করতে হলে পুণ্য করতে হয় অনেক। কিন্তু কাউকে কিছু ছুঁড়ে মারা কি পুণ্যের? এই দেশে এটাই মহৎ কাজ। এর জন্যে আবার তাদের লাভ হয় সৌভাগ্য। এই বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে বেলজিয়ামে।

বেলজিয়াম বলতেই বেলজিয়ামের চকলেট, বিখ্যাত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও বিয়ারের কথা মাথায় আসে আমাদের। কিন্তু এমন অদ্ভুত রীতি সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না। সেই রীতি আবার পালিত হয় একটি উৎসবের মধ্যে দিয়ে। বেলজিয়াম যেসব রঙিন ও আনন্দের উৎসবের জন্য বিখ্যাত, তার মধ্যে ঐতিহ্য ও জাঁকজমকতায় পরিপূর্ণ “কার্নিভাল দ্যু বাশ্চ” বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই দেশের দক্ষিণ ও পূর্বের ওয়ালোনিয়া অঞ্চলে মূলত ফরাসিরা বসবাস করেন। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে “দ্যু বাশ্চ” নামক এক অদ্ভুত জমকালো উৎসবে মেতে ওঠেন তারা যা চলে তিন দিন ধরে। সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে তারা একে অপরের দিকে কমলা লেবু ছুঁড়তে থাকেন। খ্রিস্টানদের উৎসব “অ্যাশ ওয়েন্সডে” চলার সময় বেলজিয়ামের ওয়ালোনিয়ার বাশ্চ এলাকায় এই উৎসব চলতে থাকে একইসঙ্গে।

আরো পোস্ট-  গির্জার জলপানে সন্তানলাভ! ছুটে যায় লাখো মানুষ

‘শ্রভ সানডে’ দিয়ে এই উৎসবের সূচনা করা হয়ে থাকে। ড্রাম ও ভায়োলার মতো বাদ্যযন্ত্রের সুমধুর সুরে যখন আপনি হারিয়ে যাবেন ঠিক সেই সময়েই আপনার পিঠে পড়বে একের পর এক কমলালেবু। প্রথমদিনের মিছিলে যেসব পুরুষ ও নারীরা অংশ নেয় তারা সমকালীন বিভিন্ন ঘটনাবলী ও চরিত্রের আদলে সজ্জিত হয়। পুরুষদের আধিক্য বেশি থাকে এইদিন। দ্বিতীয় দিন “শ্রভ মনডে”তে আবার শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে। উৎসবমুখর জনতার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয় রঙিন কাগজ। যেন মনে হবে রঙিন কাগজের বৃষ্টি নেমেছে। শেষ দিনে পালিত হয় “শ্রভ টিউসডে”। পুরুষরা সবাই গোঁফ আঁকা মোমের মুখোশে মুখ ঢেকে রাখে।

এই মিছিলের শেষেই সৌভাগ্যের প্রতীক স্বরূপ উপস্থিত সকলেই পরস্পরের দিকে কমলালেবু ছুড়তে থাকেন। কাউকে আঘাত না করেই ছুড়তে হয় তা। কমলালেবু ছোঁড়ার পর্ব শেষ হলে সারা রাত জুড়ে চলে নাচ গান এবং পানাহার পর্ব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।