খাওয়া শুরু হোক বা শেষপাত। আচার খেতে কে-না পছন্দ করেন? টক ঝাল মিষ্টি ও স্বাদে গন্ধে ভরপুর সুস্বাদু এই খাদ্য দ্রব্যটি আট থেকে আশি সকলেরই প্রিয়। আচার খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ আছেন কিনা তা হলফ করে বলা সম্ভব নয়। তবে একজন ভারতীয় হিসেবে প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই কম বেশি আচার তৈরি হয়। শুধু তাই নয়, সারাবছর তা সংরক্ষণ করে খাওয়াও হয়।

শুধু তাই নয়, ভারতের যে কোনও প্রান্তের গৃহস্থ বাড়ির রান্নাঘরে গেলে অন্তত দু থেকে তিন রকমের আচারের খোঁজ পেতে পারেন আপনি। যেগুলি সাধারণত বাড়ির মহিলা অতিযত্ন সহকারে বানিয়ে কাঁচের শিশিতে সংরক্ষণ করে রাখেন।

যে কোনও জিনিস থেকেই তৈরি করা যায় আচার। শুধু বানানোর সঠিক পদ্ধতিটা জানলেই হল। যেমন ধরুন, আমাদের দেশে কুল, তেঁতুল, চালতা, খেজুর, আম, আনারাস, লেবু, লংকা, বাঁশ আরও কত জিনিসের আচার পাওয়া যায়। বিশেষত বাড়ির দালানে বা ছাদের মিঠে রোদ গায়ে মেখে আচার খাওয়ার অনুভূতিই আলাদা। যেন রসনায় নেমে এসেছে স্বর্গীয় স্বাদ। তবে এই আচার যে শুধু ভোজন রসিক মানুষদের রসনার তৃপ্তি ঘটায় তা কিন্তু নয়। বিভিন্ন ধরনের আচারে রয়েছে নানা গুন। যেগুলি আমাদের শরীর ও স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপকারীও। তবে অবশ্যই খেতে হবে নিয়ম মেনে। বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকদের মতে, যেকোনও আচার নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর থাকে। ফলে প্রতিদিনের ডায়েটে অল্প পরিমাণ আচার থাকলে তা আপনার শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ারকে আরও কয়েক গুন বাড়িয়ে তুলবে৷ আপনাকে সুস্থ ও সবল রাখতে সাহায্য করবে এই আচার।

নিয়মিত আচার খেলে আমাদের শরীরের যে সমস্ত উপকার হয় তা হল,

1. টক-ঝাল,মিষ্টি সহযোগে তৈরি যে কোনও আচারের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’ (k)। যা মানব দেহের হাড়কে মজবুত বানায় এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

2. আচারে ভিটামিন ‘এ’ (A) থাকায় তা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য দারুণ উপকারী।

3. আচারের ভিতরে আরও অনেক পুষ্টিগুন থাকে যা আপনার চোখের স্বাস্থ্যের জন্য দরকারী উপাদান।

4. যে কোনও আচারই প্রোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ। যা আপনার অনাক্রম্যতাকে বাড়িতে তুলতে সক্ষম এবং আপনাকে সংক্রমণ জাতীয় রোগ থেকে রক্ষা করবে।

5. আচারে থাকা পটাশিয়াম মানব স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং স্নায়ুগুলির সঠিক ভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।

6. এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যা আপনার কোষগুলিকে যে কোনও ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

7. মধুমেহ রোগীদের জন্য আচার ম্যাজিকের মতো কাজ করে। কারণ, আচার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের মিষ্টি খাওয়ার বাসনাকে পূরণ করে।

8.এছাড়াও আচারের ভিতরে থাকা ক্যালশিয়াম শরীরকে সুস্থ রাখে এবং নানা রকম রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।