গুজরাত: প্রায় ১৫০০ কেজি মাদক উদ্ধার করল ভারতীয় উপকূল বাহিনী যার বর্তমান বাজারমূল্য কমপক্ষে তিন হাজার কোটি টাকা৷ মাদক উদ্ধারে এযাবৎ এটি সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে৷ আটক করা হয়েছে জাহাজ৷

২৭ জুলাই থেকে ভারতের সমুদ্রে সন্দেহভাজন জাহাজগুলির অপর কড়া নজরদাড়ি শুরু করে উপকূল বাহিনী৷ সমুদ্রের বিশাল এলাকা কোস্ট গার্ডের আঞ্চলিক অপারেটিং কেন্দ্র , রিমোট অপারেটিং স্টেশন এবং গান্ধীনগর ও পোর্টবন্দরে অবস্থিত উপকূল বাহিনীর সদর দফতর থেকে ক্রমাগত নজরদাড়ি চালানো হচ্ছিল৷ গত চারদিন ধরে জাহাজগুলির গতিবিধির ওপর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল৷ গোপন সূত্র থেকে গোয়েন্দা সংস্থা এবং এনটিআরও জানতে পারে বিপুল পরিমাণ মাদক জলপথের মাধ্যমে পাচার করা হবে৷ সেই মতো প্রস্তুতি নিয়েছিল উপকূল বাহিনী৷

উপকূলরক্ষী জাহাজ ‘সমুদ্র পাভাক’ প্রথম ‘প্রিন্স ২’ নামে এক বাণিজ্যিক জাহাজের পথ আটকায়৷ পরে ওই জাহাজ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করে উপকূল বাহিনী৷ তদন্তের জন্য আটক জাহাজকে রবিবার পোরবন্দর আনা হয়েছে

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।