বহরমপুর: উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম দশে জায়গা করে নিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বহরমপুর জে এন অ্যাকাডেমি৷ এই স্কুলের তিন ছাত্রের ঠাঁই হয়েছে মেধা তালিকায়৷ সোমবার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, এই অ্যাকাডেমির তিন ছাত্র পঞ্চম ও অষ্টম স্থান অধিকার করেছে৷ বহরমপুর জে এন অ্যাকাডেমির তীর্থ রাজ রায় ও প্রত্যয় দে যুগ্ম ভাবে পঞ্চম স্থানাধিকারি হয়েছে৷ অষ্টম স্থান অর্জন করেন নীরমণি সাহা।

অ্যাকাডেমির ভালো ফল হওয়ায় জেলা জুড়ে খুশির আমেজ৷ শিক্ষকরাও যেমন উচ্ছসিত তেমনই খুশি সহপাঠীরাও৷ মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ভালো ফল করেছিল জে এন অ্যাকাডেমি। এখান থেকে তিন জন ছাত্র যুগ্মভাবে ছেলেদের মধ্যে প্রথম হয়। এবার উচ্চ মাধ্যমিকেও সেই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকল। বিদ্যালয়ের এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। এদিন ফলপ্রকাশের পর বিদ্যালয়ে কৃতি ছাত্রদের পাশাপাশি অন্যান্য ছাত্রদের মিষ্টি মুখ করান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাশয়।

সোমবার প্রকাশিত হল এবছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। এদিন সকাল ১০ টায় বিদ্যাসাগর ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক করে মেধা তালিকায় থাকা সেরা ১০ জনের নাম ঘোষণা করেন সংসদ সভাপতি মহুয়া দাস। তিনি জানান, এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সেরা দশের তালিকায় রয়েছে ১৩৭ জনের নাম। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ইতিহাসে যা নজির।

এবার ৪৯৮ নম্বর পেয়ে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছে দুই ছাত্র। বীরভূমের শোভন মণ্ডল এবং কোচবিহারের রাজর্ষি বর্মণ। এছাড়া মেধা তালিকায় রয়েছে ৬ জন দ্বিতীয়, ৪ জন তৃতীয়, ৬জন চতুর্থ, ১৪জন পঞ্চম, ১৬জন ষষ্ঠ, ১৪জন সপ্তম, ২৫জন অষ্টম, ২৪জন নবম এবং ২৬ জন দশম কৃতি ছাত্র-ছাত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।