নিমু: করোনা আবহের মধ্যেই গত ১৫ জুনের পর থেকে গালওয়ান উপত্যকা নিয়ে ভারত- চিনের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে। ভারতের তরফে বারবার আলোচনা চালানো হলেও, ক্রমশ আগ্রাসী ভূমিকা নেয় চিন। সীমান্তের ওপারে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করতে থাকে। একের পর এক সমরাস্ত্রও জড়ো করতে থাকে। ভারতও পালটা সেনা সমাবেশ করতে থাকে।

একদিকে যখন ভারত চিন উত্তেজনা বাড়ছে অন্যদিকে তখন সেতু নির্মান করে ফেলে ভারত। তিন মাসের মধ্যে চিনের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে সীমান্তে নতুন সেতু নির্মাণ করেছে ভারত।

সরকারি সূত্রে খবর, বিআরঅ’র সহযোগিতায় লাদাখের নিমুর কাছে তিনটি অত্যাধুনিক সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ব্রিজগুলি ব্যবহারের ফলে সেনাবাহিনীর ট্যাংক, সামরিক অস্ত্রশস্ত্র দ্রুত পূর্ব লাদাখের ‘এল এ সি’তে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। হঠাত যদি যুদ্ধ বাঁধে তাহলে খুব শীঘ্রই এই তিনটি ব্রিজের সাহায্যে সেনাবাহিনীর কাছে রসদ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, লাদাখের নিমুর কাছে অবস্থিত এই ব্রিজ দিয়ে আগে ২৪ টনের বেশি ওজনের গাড়ি যাতায়াত করতে পারত না। কিন্তু বর্তমানে ওই বেরিলি ব্রিজের পরিবর্তে নতুন আরও তিনটি ব্রিজ নির্মাণ করায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর অনেক সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, এই ব্রিজ দিয়ে এবার থেকে ৭০ টনের বেশি ওজনের গাড়িও যাতায়াত করতে পারবে। সীমান্ত সড়ক সংস্থার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার বি.কিষান জানিয়েছেন, ৩৯৭কিমি দীর্ঘ এই ব্রিজটি রেকর্ড সময় মাত্র তিন মাসের মধ্যে গড়ে তোলা হয়েছে। এই ব্রিজের বহন ক্ষমতা ৭০ টন, জানিয়েছেন ওই ইঞ্জিনিয়ার।

নয়া এই ব্রিজ ব্যবহার করে দ্রুত সেনাবাহিনীর বেস ক্যাম্পে পৌঁছানো যাবে বলে দাবি করেছেন কিষাণ। স্ট্রাটেজিক হিসাবে এই ব্রিজ ব্যবহার করবে সেনাবাহিনী।

শুধু তাই নয়, সম্প্রতি লাদাখ সফরে গিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে, দেশবাসীর স্বার্থে এবং সেনাবাহিনীর সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। আর তার ফল হিসেবে যে তিনমাসে এই ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে তা বলা বাহুল্য।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ