একটা বছর অতিক্রান্ত। করোনার দাপটে নাজেহাল অবস্থা আমজনতার৷ চারিদিকে শুধু ত্রাহি ত্রাহি রব। এখনও সেভাবে মহামারির ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি পৃথিবীর কোনও দেশই। তারমধ্যে দীর্ঘমেয়াদী লকডাউন পিরিয়ড পেরিয়ে শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। সংক্রমণের চোখ রাঙানী থাকলেও রুটি রুজির টানে ঘরের বাইরে বেরতে হচ্ছে সবাইকেই।

যদিও মারণ ব্যাধিকে বশে আনতে শুরু হয় গিয়েছে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের। তবুও বিশ্বের প্রতিটি কোনায় কোনায় টিকা না পৌঁছানো পর্যন্ত রেহাই নেই। ফলে শুধু ততদিন নয়, এখনও অনেকগুলি বছর করোনা আক্রান্ত গাইডলাইন এবং মাক্সের ব্যবহার করে যেতে হবে আমাদের। তবে মাক্স যে শুধুই জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করবে তা কিন্তু নয়। নিয়মিত সঠিক মাক্সের ব্যবহার মুখের চামড়াকে যেমন সুস্থ রাখে তেমনই নানারকম রোগ ধোঁয়া, ধুলো ও দূষণের হাত থেকে আপনাকে সুরক্ষা দিতে পারে এই মাক্সই।

 

তবে শুধু বাজার থেকে মাক্স কিনলাম আর পড়ে নিলাম তা কিন্তু একদমই করা যাবে না। সুস্থ ও পরিস্কার পরিছন্ন থাকতে ব্যবহার করুন সঠিক মাক্স। যেগুলি আপনাকে নানা রকম রোগব্যাধির হাত থেকে সুরাহা দেবে। আর এক্ষেত্রে আপনি বেছে নিতে পারে থ্রি লেয়ার যুক্ত প্রোটেক্টিভ মাক্স।

করোনার কারণে পৃথিবীর সব দেশেই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মাক্স। চলতে ফিরতে পথে ঘাটে এখন মাক্সের ব্যবহার ভীষন ভাবে বেড়ে গিয়েছে। তবে শুধু মাক্স ব্যবহার করলেই হবে না। কোন ধরণের মাক্স গুলি নানারকম জীবাণুকে আটকাতে সক্ষম এবং আপনার মুখের ত্বকের জন্য উপকারী তা আগে আপনাকে জানতে হবে। আর এই ক্ষেত্রে আপনি বেছে নিতে পারেন থ্রি লেয়ার ফেস মাক্স (Three Layer Face Mask)

 

এই মাক্স ব্যবহারে আপনি যে সুবিধা গুলি পাবেন তা হল…..

1. ত্রি-পর্দা বেষ্টিত এই মাক্সগুলি বাইরের জীবাণুকে মুখ ও নাক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।

2. থ্রি লেয়ার মাক্স গুলি খুবই আরামদায়ক। যা আপনার মুখের ত্বকের কোনও ক্ষতি করবে না।

3. এগুলি ময়েশ্চার প্রুফ হয় এবং অ্যাক্টিভেটেড কার্বন বিএফই( BFE) ও পিপিই ( PPE) অ্যান্টি পলিউশন যুক্ত।

4. এই থ্রি লেয়ার মাক্সে ব্যবহৃত কাপড় মেল্ট ব্রাউন ফিল্টার যুক্ত হয়।

5. এগুলি যে কোনও ব্যক্তির স্কীন ফ্রেন্ডলি হয়। এই ধরনের মাক্স পড়লে অতিরিক্ত ঘাম বা শ্বাসকষ্টের কোনও সমস্যা তৈরি হয় না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।