কলকাতা:  বাংলায় কর্মসংস্থানে বিপ্লব ঘটতে চলেছে। প্রচুর বিনিয়োগ। বিশেষ করে হাওড়ায় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে ১২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ আসতে চলেছে। যার ফলে ৩ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থান হবে। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র।

শিল্পমন্ত্রী জানিয়েছেন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে ৪০ শতাংশ অবদানই হাওড়ার। এই মুহূর্তে জেলায় ২৭ হাজার নথিভুক্ত ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের ইউনিট আছে। তবে এই ইউনিট আরও বাড়াতে হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী। উন্নতমানের প্রযুক্তির সঙ্গে এদের যুক্ত করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

একই সঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, জগদীশপুরে ১২০ একর জমিতে ভারতের সর্ববৃহৎ হোসিয়ারি পার্ক গড়ে উঠছে। ইতিমধ্যে সেই পার্ক গড়ে তোলার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১৪.‌৯৬ একর জমি প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। সেখানের কাজ প্রায় শেষের মুখে। অমিত মিত্র জানিয়েছেন, দেশের বৃহত্তম এই হোসিয়ারি পার্কে ১৭০টি ইউনিট থাকবে। পাশাপাশি ১ লাখ ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। ২০২১ সালেই কাজ শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শিল্পমন্ত্রী জানান, দেশের মডেল হোসিয়ারি পার্ক হয়ে উঠবে এটি। রাস্তা, বিদ্যুতের সাব–স্টেশন করে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি এদিন বিশ্ব বাংলা মার্কেট কর্পোরেশনের জিনিসপত্র অনলাইনে বিক্রি করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে অমিত মিত্র। হোসিয়ারি পার্কের পাশাপাশি লজিস্টিক হাব গড়ে তোলা হচ্ছে।

এই রাজ্যে টিসিএসে ৪৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, টাটার ২২টি ইউনিট এই রাজ্যে চলছে। শিল্প গড়তে জমির রূপান্তরও দ্রুত করা হবে। হোসিয়ারি পার্কের পাশাপাশি ফাউন্ড্রি পার্কের ক্ষেত্রেও হাওড়ার জোরকদমে কাজ চলছে জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ফাউন্ড্রি পার্কে ২৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ হচ্ছে। এখানে ৩০ হাজার কর্মসংস্থান হবে। ১০০টা ইউনিট থাকবে। ইতিমধ্যেই ৫টি ইউনিট এসে গেছে। চলতি বছরেই পুরো কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন অমিত মিত্র।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ