সাঁকতোড়িয়া ( পশ্চিম বর্ধমান) : কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ৪১টি কোল ব্লক নিলাম ও বেসরকারি বাণিজ্যিক উত্তোলন রুখতে দেশজুড়ে কয়লাখনি এলাকায় উত্তোলন স্তব্ধ। টানা তিনদিনের হরতাল শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। ইসিএল , সিসিএল, বিসিসিএল সহ সবকটি খনি এলাকায় হাজার হাজার শ্রমিক কাজ বন্ধ রেখেছেন। ইতিমধ্যেই হরতালের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

কয়লা উত্তোলন ধাক্কা খেতে থাকায় অন্যান্য় শিল্পে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা বাড়ছেই। ডান বাম কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চের দাবি, সরকার অবস্থান না বদলালে আরও দীর্ঘ হবে আন্দোলন।

পূর্বাঞ্চলের প্রধান তিন কয়লা খনি এলাকা ইসিএল সদর দফতর পশ্চিম বর্ধমানের সাঁকতোড়িয়া, সিসিএএলের রাঁচি এবং বিসিসিএল ধানবাদে কাজ স্তব্ধ।

ইসিএলের কয়েকটি এলাকায় কিছু বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের সংবাদ এসেছে। অভিযোগ, পশ্চিম বর্ধমানে হরতালে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করে।

কয়লা শ্রমিকদের এই দেশজেড়া ৩ দিনের হরতাল কর্মসূচি বিজেপি সরকারের অবস্থান বিরোধী। এতে সমর্থন দিয়েছে সিটু, আইএনটিইউসি, এআইটিইইসি সহ ২০টি বাম ডান কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন। তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা, এই হরতালের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে সংঘের শ্রমিক শাখা বিএমএস।

হরতালে অংশ নেওয়া শ্রমিক সংগঠনগুলির যৌথ বিবৃতি তে বলা হয়, জাতীয় সম্পদ কয়লা বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। দেশের সম্পদ রক্ষা করতে এই হরতাল কর্মসূচি। নিলামে চলে যাওয়ায় কয়লা সম্পদ কর্পোরেট সংস্থার মুনাফা বাড়াবে। জাতীয় সম্পদের সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকতেই হবে।

হরতালে অংশ নেওয়া কয়লা শ্রমিক সংগঠনগুলির তরফে বলা হয়েছে। ১৯৭২ ও ১৯৭৩ সালে দেশের কয়লাখনি জাতীয়করণ করে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। এরপর যখনই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ক্ষমতায় এসেছে তখনই কয়লা সহ দেশীয় সম্পদের বাণিজ্যিকীকরণে ছাড় দিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ