স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: জেলা জুড়ে চলছে বিজেপির গান্ধী সংকল্প যাত্রা। এরই মাঝে জেলার তৃণমূলের উপপ্রধানকে মারধোর ও পঞ্চায়েতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠলো বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার তালডাংরার শালতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে। জানা গিয়েছে, আহত অবস্থায় উপপ্রধান দয়াময় নন্দী বর্তমানে তালডাংরা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সূত্রের খবর, তৃণমূল পরিচালিত ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দয়াময় নন্দী এদিন অভিযোগ করে জানিয়েছেন, শ্রীদাম সর্দার ও রঞ্জন কর্মকার নামে এলাকায় পরিচিত দুই বিজেপি কর্মী পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে তাকে মারধোর করে। জানা গিয়েছে, পাশাপাশি বেশ কিছু সরকারী কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে এবং কয়েকটি চেয়ার-টেবিল ও একটি ল্যাপটপ ভেঙ্গে দেয় বলে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। পরিকল্পিতভাবে মদ্যপ অবস্থায় এই পঞ্চায়েতে বিজেপির ওরফে হামলা চালানো হয়েছে দাবী করে তিনি বলেন, এই ঘটনায় যুক্ত শ্রীদাম সর্দারকে পুলিশ আটক করেছে।

এদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, দলের স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি অভিজিৎ লোহাদের দাবী, তাদের এক কর্মী ওই পঞ্চায়েতে ব্যক্তিগত শংসাপত্র আনতে গেলে তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী তাকে ধরে মারধোর করে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তিনি আরও বলেন, উপপ্রধানকে তাদের দলের কেউ মারধোর করেনি। বিজেপি’র ওই নেতার দাবী, এলাকায় তৃণমূলের জনসমর্থন ক্রমশ কমতে থাকায় বিজেপি কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে শাসকদল। এছাড়াও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট করে শাসকদল সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে বলেও তিনি দাবী করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I