ওয়াশিংটন: পাতাল প্রবেশ করতে পারবেন? যদি পারেন, হাতে পাবেন সাত রাজার ধন এক মাণিক৷ এখানে অবশ্য এক মাণিক নয়, লক্ষ লক্ষ মাণিক৷ ঠিকই শুনছেন৷ পৃথিবীর মাটির নীচে লুকিয়ে রয়েছে কোটি কোটি টাকার হিরে৷ পড়ে রয়েছে অযত্নে, অবহেলায়৷ এখনও পর্যন্ত কেউ গিয়ে পৌঁছতে পারেনি সেই রত্ন খনিতে৷

বিশেষজ্ঞরা কিন্তু তেমনই জানাচ্ছেন৷ বলা হয়েছে পৃথিবীর গভীরে লুকিয়ে রয়েছে কয়েক লক্ষ কোটি টন হিরে৷ ভূস্তরের গভীরে সিসমিক রে পাঠিয়েছে আমেরিকা৷

ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি বা এমআইটি ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের এই অনুমান প্রকাশিত হয়েছে মতে ‘জিওকেমিস্ট্রি, জিওফিজিক্স, জিওসিস্টেম’ জার্নালে। সেখানে বলা হয়েছে অত্যাধুনিক সিসমোগ্রাফের সাহায্যে পৃথিবীর অভ্যন্তরের পূর্ণাঙ্গ ছবি তোলা সম্ভব৷ এতে বোঝা যাবে ভূমিকম্প সংক্রান্ত তথ্যও৷

কয়েক বছর ধরে একটি বিষয়ের গবেষণা করছিলেন ভূবিজ্ঞানীরা৷ তাদের প্রশ্ন ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৬১ কিমি গভীরে সিসমিক রে স্বাভাবিকের চেয়ে কেন দ্রুত গতিতে ছুটে চলে? এর উত্তর জানা ছিল না এতদিন৷

এমআইটি ও হার্ভার্ডের বিশেষজ্ঞ দল বলছেন এই গভীরে রয়েছে ক্রেটনিক রুটস৷ যা গাছের শিকড়ের মতো ছড়িয়ে রয়েছে মাটির ওই গভীরে৷ বিভিন্ন খনিজ দিয়ে তৈরি পাথর জমে জমে এই হিরের উদ্ভব হয়েছে৷ আর তা সংখ্যায় কয়েক লক্ষ কোটি৷ তবে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যে পরিমাণ পাথর সেখানে আছে, হিরের পরিমাণ তার ১-২ শতাংশ৷

তবে তার পরেও রয়ে যাচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন৷ মানুষ কি কখনও তা উদ্ধার করতে পারবে? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রযুক্তির দ্বারা তা সম্ভব নয়। নথি বলছে, মানুষ সবচেয়ে গভীর খুঁড়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১২.২৩১ কিমি পর্যন্ত। তাই কয়েক শ’ কিমি গভীর গর্ত তৈরি করা এখনই সম্ভব নয়৷ তবে ভবিষত্যে যে তা উদ্ধার করা যাবে না, সেকথা জোর দিয়ে বলা যায় না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.