শিলচর: করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। প্রথম পর্যায়ে করোনার সঙ্গে যাঁরা সম্মুখ সমরে নেমেছেন তাঁদের ডোজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে মিলল দুর্নীতির ইঙ্গিত। জানা গেছে, অসমের শিলচর জেলার একটি সরকারি হাসপাতালে প্রায় এক হাজার কোভিশিল্ড জমিয়ে রাখা হয়েছে। আসামের বরাক উপত্যকায় রাজ্যের অন্যতম প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (এসএমসিএইচ) এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর।

সূত্রের খবর, প্রায় ১০০টি শিশিতে কোভিশিল্ডের এক হাজার ডোজ সংরক্ষিত ছিল। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজই ফ্রিজ অবস্থায় পাওয়া গেছে। শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে হিমায়িত এই শিশিগুলি সম্পর্কে জানার পরে, রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। ওই শিশিগুলির ভ্যাকসিন আর কাজ করছে কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য একটি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত কোভিশিল্ড এবং কোভাক্সিন, করোনার এই দুটি টিকাই ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা দরকার। দুটি ভ্যাকসিন সম্প্রতি দেশের ড্রাগ কন্ট্রোলের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেয়েছে।

তবে শুধু যে ভারতে কোভিশিল্ড ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নয়। ভারতের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল বন্ধু ও প্রতিবেশী দেশগুলিকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ভ্যাকসিন পাঠাবে ভারত। অবশেষে কথা রাখল কেন্দ্র। উপহার স্বরূপ প্রথম ভ্যাকসিনের ডোজ পেল ড্রাগনের দেশ ভুটান। ভুটান হল প্রথম দেশ যা সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া নির্মিত এই ভ্যাকসিন উপহার স্বরূপ পেল।

ভুটানের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে কোভিড বিধি সত্ত্বেও ভারত ভুটানকে বাণিজ্যিক প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশও পাচ্ছে ভ্যাকসিন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল প্রফেসর আবুল বাসার মহম্মদ কুর্শিদ আলম এই বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন৷ সোমবার ঢাকায় সে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক একটি সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘ভারত সরকার উপহার হিসাবে বাংলাদেশে কোভিড ভ্যাকিসিনের কিছু ডোজ বাংলাদেশে পাঠাবে৷’’ পরবর্তী পর্যায়ে বাণিজ্যিক পথেই ভারতের কাছ থেকে ভ্যাকসিন কিনবে ঢাকা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।