লন্ডন: বাড়িতে একলা থাকলে, বা বন্ধুদের সঙ্গে অ্যাডাল্ট পার্টিতে পর্ন দেখতে পছন্দ করে না-এমন টিন এজার হাজারে একটা মেলে। এই প্রতিবেদন কিন্তু কোনওভাবেই পর্ন দেখাকে সমর্থন করে না। বিখ্যাত বিনোদনমূলক পত্রিকা মেট্রোয় প্রকাশিত পর্ন দেখার সময় ছেলেদের কী কী মনে হয়, তাই তুলে আনা হল আমাদের পাঠকদের জন্য-

  • ল্যাপটপের সার্ফিং হিস্ট্রি ডিলিট করতেই হবে। কেউ যেন না জানতে পারে।
  • কেউ বাড়ির জানালা থেকে দেখে ফেলবে না তো!
  • ব্যাস, মাত্র ১৫ মিনিট দেখব। আর নয়। তারপরেই কাজে মন দেব।
  • ধ্যুৎ। এই মেয়েটা মোটেই সেক্সি নয়।
  • কতদিন পর্ন দেখিনি।
  • এই পজিশনটা মোটেই ভাল নয়।
  • এত সুন্দরী মেয়ে আমার চারপাশে দেখতে পাই না কেন?
  • পর্ণের নায়িকা মোটেই উত্তেজনা অনুভব করছে না। এটা ঠিক নয়।
  • ছিঃ। এটা বড্ড নোংরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।