কলকাতা: শুক্রবার সংসদে মোদী-টু সরকারের প্রথম বাজেট পেশ৷ স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মহিলা অর্থমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবেন। নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত, সকলেরই সেই বাজেট নিয়ে প্রত্যাশা রয়েছে৷কেন্দ্রের কাছে নিজের প্রত্যাশা জানালেন ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল৷ লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি৷

অগ্নিমিত্রা বলেন, যেহেতু আমাদের কৃষি প্রধান দেশ তাই প্রথমত চাইব, চাষীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ভাল কিছু করুর৷ তাঁদের সারে ভর্তুকি বাড়িয়ে দেওয়া হোক৷ ওদের স্বার্থ আগে দেখা উচিত৷

দ্বিতীয়ত, এক মহিলা হিসেবে চাই গ্যাসের দাম যাতে আরও কমানো হোক এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, যেগুলি ছাড়া একটা সাধরণ পরিবার চলে না-সেই জিনিসগুলির দাম কমানো হোক৷

তৃতীয়ত, আরও বেশি করে মানুষ ইনকাম ট্যাক্সের আওতায় আসুক৷দেখা গিয়েছে, দেশের খুব কম পার্সেন্টেজ মানুষ ইনকাম ট্যাক্স দেয়৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, চাকুরিজীবীরা ঠিকমতো কর দেয় কিন্তু ব্যবসায়ীরা কর ফাঁকি দেয়৷

চতুর্থত, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর মানুষের আয় একেবারেই সীমিত হয়ে যায়৷ সংসার চালাতে শুধুমাত্র ব্যাংকে গচ্ছিত টাকার সুদের উপর তাঁদের নির্ভর করতে হয়৷ তাই সুদের হার যেন না কমানো হয়৷ কারণ ওটাই তাঁদের একমাত্র ইনকাম এটা ভুললে চলবে না৷

পঞ্চমত, মেডিক্লেমকে জিএসটির বাইকে রাখা হোক৷

ষষ্ঠত, অনেক কোম্পানিতে পেনশন দেয় না৷ সেই কোম্পানিগুলিতে যাঁরা চাকরি করেন অবসরের পর তাঁরা অনেকেই অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে পড়েন৷ তাই আমি চাই যাঁরা চাকরি করেছেন তাঁরা সবাই যেন পেনশন পায়৷

সপ্তমত, যাঁরা সন্তানহীন তাঁদের পেনশনের আওতাভুক্ত করা হোক৷কারণ ছেলে-মেয়ে না থাকলে বয়স হলে তাঁদের কিভাবে চলবে! এই বিষয়টা সরকারকে দেখতে হবে৷

অষ্টমত, একজন মহিলা হিসেবে চাইব, সরকার কিছু ভাল কিছু স্কিম নিয়ে আসুক যাতে সাধারণ মহিলারা লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন৷ উন্নয়নশীল দেশ গড়ার জন্য মহিলাদের বেশি করে জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে৷

নয় নম্বর বিষয় হল, কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত পরিবেশের উপর নজর দেওয়া৷ এটা খুব জরুরি৷ দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে জলের সমস্যা শুরু হয়ে গিয়েছে৷এই সমস্যা সমাধানে এখন থেকে উদ্যোগী না হলে ভবিষ্যতে বড় সঙ্কটের মধ্যে পড়তে হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.