বর্ধমান: একুশের ভোট প্রেস্টিজ ফাইট। নির্বাচনে বিজেপি ও তৃণমূলকে এবার বড়সড় ধাক্কা দিতে মরিয়া বামেরা। দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল হচ্ছিল। বামেদের দাবি সেই দশা ঘুঁচেছে। কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে বামেরা। পবর্ব বর্ধমানের জামালপুরের সভা থেকে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের বার্তা, ‘‘যাঁরা আমাদের ছেড়ে গিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের ঝান্ডা ধরেছেন, তাঁদের কাছে আবেদন ফিরে আসুন।’’

বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বামেদের ফল শোচনীয় হয়েছে। গত লোকসভা ভোটেও ভোটব্যাঙ্কের দশা ছিল শোচনীয়। একের পর এক কেন্দ্রে বামেরা তিন বা চার নম্বরে পৌঁছে গিয়েছিল। তবে বিধানসভা ভোটে সাফল্য পেতে মরিয়া বাম-শিবির। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনী ময়দানে বামেরা।

একুশের ভোটে বিজেপি ও তৃণমূলকে রুখতে সব ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলিকে একজোট হতে আহ্বান জানাচ্ছেন বিমান, সূর্য, সুজনরা। ইতিমধ্যেই বাম ও কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে আব্বাস সিদ্দিকীর দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের। বামেরা আব্বাসের দলের সঙ্গে জোট করতে ভীষণ রকম তৎপর।

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় আব্বাসের দলকে আসন ছাড়ার কথা জানিয়েছে বামেরা। শরিকদেরও এব্যাপারে বুঝিয়ে রাজি করিয়েছে সিপিএম। তবে এখনও বাদ সাধছে কংগ্রেস। আব্বাস সিদ্দিকী মুর্শিদাবাদ ও মালদহে যে আসনগুলি চাইছেন সেগুলি তাদের ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস। অধীর চৌধুরীদের দাবি, ওই এলাকায় কংগ্রেসের নিজস্ব ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। সেই করণেই সেই ভোটব্যাঙ্ক হাতছাড়া করতে রাজি নয় তাঁরা। সমঝোতা চাইলেও আব্বাসের দলকে মালদহ ও মুর্শিদাবাদে একটি আসনও ছাড়তে রাজি নয় কংগ্রেস নেততৃত্ব।

এদিকে, বিধানসভা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলেছে শাসকদল তৃণমূবল, বিজেপি থেকে শুরু করে বাম-কংগ্রেস। সোমবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সভা করেছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। বামেদের সঙ্গ ছেড়ে যারা বিজেপি বা তৃণমূলে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের এবার ফিরে আসার বার্তা সূর্যকান্ত মিশ্রের।

এদিন তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা আমাদের ছেড়ে গিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের ঝান্ডা ধরেছেন, তাঁদের কাছে আবেদন ফিরে আসুন।’’ এরই পাশাপাশি দলীয় কর্মীদেও জনসংযোগ বাড়ানোর কাজে গতি আনতে পরামর্শ দিয়েছেন সূর্যকান্ত মিশ্রষ তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা তৃণমূল-বিজেপি করছেন, তাঁদের বাড়িতে যান। ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করুন।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।