নয়াদিল্লি: গুজরাত ও মুজফফরপুর সংঘর্ষে জড়িতদের শাস্তির দাবি তুললেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ আশা প্রকাশ করে জানান, এবার গুজরাত ও মুজফফরপুরে জড়িত রাজনৈতিক নেতারা যেন পার না পায়৷

সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট শিখ বিরোধী সংঘর্ষে অভিযুক্ত কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ সজ্জন কুমারকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়৷ সেই রায়কে স্বাগত জানান আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়াল৷ রায় ঘোষণার পর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীই প্রথম প্রতিক্রিয়া দেন৷ জানান, শিখ হত্যায় জড়িতরা সেই সময় ক্ষমতায় ছিল৷ বিচার পেতে নিহতদের পরিবারকে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছে৷

 

ট্যুইট করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, কোনও সংঘর্ষে জড়িতদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত হবে না৷ সে তারা যতই ক্ষমতাবান হোক না কেন৷ সেই কথার রেশ ধরেই মঙ্গলবার কেজরিওয়াল জানান, ৩৪ বছর পর ন্যায় বিচার পেলেন শিখরা৷ তবে শুধু সজ্জন একা নন আরও অনেক বড় নেতাই সেদিনের ঘটনায় যুক্ত ছিল৷ তাদেরও যেন শাস্তি হয়৷ সেই সঙ্গে ২০০২ এর গুজরাত ও ২০১৩র মুজফফরপুরের সংঘর্ষে জড়়িতদের যেন রেয়াত না করা হয়৷

শিখ বিরোধী সংঘর্ষে সোমবার দোষী সাব্যস্ত হন সজ্জন কুমার৷ দিল্লি হাইকোর্ট কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমারকে আজীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়৷ আগামী ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যেই তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে৷ তারপরই কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করলেন সজ্জন কুমার৷ মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে চিঠি লিখে ইস্তফার কথা জানান তিনি৷

লোকসভার আগে দলের স্বচ্ছভাবমূর্তী তুলে ধরতে মরিয়া রাহুল গান্ধী৷ সজ্জন কুমার ইস্যু যাতে ১৯শের লোকসভায় বিজেপি’র প্রচারের অস্ত্র না হয়ে উঠতে পারে সে বিষয়ে সচেতন কংগ্রেস৷ সজ্জন কুমারের কাছে স্পষ্টই ছিল দল তাঁর পাশে নেই৷ ফলে ইস্তফা ছাড়া তাঁর কাছে কোনও বিকল্প ছিল না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা৷