মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র : এই শহরে নেই কোন নেই কোন অশান্তি, মানুষের কোলাহল। নেই কোন ট্রাফিকের ক্যাকাফোনি। এই কিচ্ছুটি না থাকার শহরেই থাকেন এক মহিলা। চারিদিক ধু ধু ফাঁকা শহরে একা রয়েছেন তিনি। হ্যাঁ, অবাক করার মতোই ঘটনা। গোটা শহরের তিনিই একমাত্র বাসিন্দা। আমেরিকার নেব্রাস্কার কাছে মনোয়ি শহরে ওই মহিলা একাই থাকেন।

একলা শহুরের একমাত্র মহিলার নাম এলসি এইলার। মজার কথা এমন শহরের তিনিই আবার মেয়র। জানা গিয়েছে নিজেকেই নিজে মনোনীত করেছেন এলসি এইলার। ১৯০২ সালে মনোয়ি শহরটি গড়ে ওঠে। ১৯৩০ সালের দিকে সেখানে লোকসংখ্যা ছিল ১৫০। তারপর চাকরির সন্ধানে সেখানকার বাসিন্দারা অন্য জায়গায় যেতে শুরু করেন। ফলে ধীরে ধীরে জনসংখ্যা কমতে থাকে। এমনকী, এলসির সন্তানরাও অন্য শহরে পাড়ি দেন। ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওই শহরে শুধু এলসি এইলার এবং তাঁর স্বামী রুডি থাকতেন। কিন্তু, ২০০৪ সালে রুডি মারা যান। সবাই চলে গেলেও এই শহরের মায়া কাটাতে পারেননি একমাত্র তিনি। থেকেই গেছেন সেখানে। তবে শহরের বাসিন্দা হিসাবে সবরকম সরকারি নিয়ম কাননে তিনি পালন করে থাকেন। এতে কোন ত্রুটি হয়নি। এলসির একটি বার রয়েছে। তবে শে বারের মালিক এবং ক্রেতা- সবই তিনি। শহরের বাসিন্দা হিসেবে করও দেন তিনি। তাও নিজের কাছেই জমা দেন। প্রত্যেক বছর মেয়র হিসেবে রাস্তাঘাটের উন্নয়নের পরিকল্পনা জমা দেন যাতে রাষ্ট্র ওই শহরের রাস্তার আলোর জন্য আর্থিক সাহায্য করে। একটি লাইব্রেরিও রয়েছে মনোয়িতে। ওই লাইব্রেরির নাম নিজের প্রয়াত স্বামীর নামে রেখেছেন এলসি। লাইব্রেরিতে শহরের পুরনো ছবি রয়েছে। শহরের ইতিহাস সহ প্রায় ৫ হাজার বই রয়েছে লাইব্রেরিতে। একার রাজত্বে তিনি একলা রানি, তিনিই রাজা। সবই করলেন, শুধু শহরের প্রেমটা কাটিয়ে উঠতে পারলেন না।

 

 

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।