উলানবাটার: এশিয়ার অন্যতম রহস্যময় দেশ মঙ্গোলিয়া। এখানে যেমন মরুভূমি আছে তেমন আছে বরফে ঢাকা বিস্তীর্ণ এলাকা। এই মঙ্গোলিয়ার পশ্চিম দিকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তিন হাজার মিটার উচ্চতায় আলতাই নামক একটি অঞ্চল রয়েছে। কাজাখ আদিবাসীরা থাকেন এখানে। শীতকালে গোটা আলতাই বরফের চাদরে ঢাকা থাকে। এই শীতকালে তাদের প্রচুর খাদ্য সমস্যায় ভুগতে হয়। প্রায় ৬ হাজার বছর আগে এখানকার মানুষ শিকারি ঈগল পুষতে শুরু করেন। ঈগলের সাহায্যে এই বিশেষ উপজাতির মানুষ মারমোন্টস নামে এক বিশেষ ধরনের বৃহৎ ইঁদুর ও কার্সিক শিয়াল শিকার করে থাকে। এর সঙ্গে তারা নেকড়ে বাঘও শিকার করে থাকে। তবে এই উপজাতির মানুষরাই শুধু ঈগল পোষে না, এছাড়াও এখানকার মানুষও পোষেন ঈগল। তারা এটাকে প্রথা হিসেবে মানেন।

মঙ্গোলিয়া শুধু নয় গোটা বিখ্যাত দুই শাসক চেঙ্গিস খাঁ ও কবুলাই খাঁও শিকারি ঈগল পুষতেন। বর্তমানে এখানকার ২৫০ জন আদিবাসী শিকারি ঈগলের সাহায্যে শীতকালে খাদ্যের বন্দোবস্ত করে থাকেন তাদের পরিবারের জন্যে। এই বাসিন্দারা এক ধরনের টুপি পড়েন। এটি শিয়ালের চামড়া ও পশম মিশিয়ে তৈরি হয়ে থাকে। তাছাড়া তারা গায়ের পোশাক তৈরি করে থাকেন ভেড়ার চামড়া ও পশম মিশিয়ে। এই টুপি ও পোশাক আলতাই উপত্যকার কাজাখ আদিবাসীদের অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্য যা সারা ভারত জানে। তবে বর্তমান সময়ে এই রীতি ক্রমশ অবলুপ্তির পথে।

আরো পোস্ট- নিজের লাইভ লোকশন শেয়ার করতে চান? উপায় আনছে হোয়াটসঅ্যাপ

এই বিশেষ জনগোষ্ঠীর পরিচয় পাওয়া যায় বিখ্যাত ভূপর্যটক মার্কো পোলোর নথি থেকে। তারা বিস্তীর্ণ মাঠের মধ্যে বেশ কিছুটা অন্তর ছোট এক ধরনের গোল আকৃতির কুঁড়ে ঘর তৈরি করে বসবাস করেন। এই কুঁড়ে ঘরগুলোকে তারা বলেন ‘গেরেস’। এখানকার বাসিন্দারা একদম ছোট থেকেই ঈগল পাখিকে প্রশিক্ষণ দিতো। ঈগলের বয়স একটু বেশি হয়ে গেলেই তাকে পোষ মানানো যায় না। পুরুষ ঈগলের তুলনায় নারী ঈগল অনেক দক্ষ শিকারি। সেই ঈগল আবার চিতাবাঘও ধরতে সক্ষম। ঈগলকে কাঁধে বসিয়ে এরা শিকার করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।