তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: দীর্ঘ বছরের ধারাবাহিকতা মেনে এবারও পুজো হবে জগৎজননী মা সারদা দেবীর জন্মভিটে বাঁকুড়ার জয়রামবাটি মাতৃমন্দিরে। কিন্তু চলতি করোনা পরিস্থিতিতে এবার মায়ের গাঁয়ের পুজো হবে সম্পূর্ণ অনাড়ম্বরভাবে। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাতৃমন্দির কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, ১৮৫৩ সালে জয়রামবাটির মুখোপাধ্যায় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সারদা দেবী। অল্প বয়সে বিয়ে হয় বর্তমান হুগলী জেলার কামারপুকুরের গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। পরবর্ত্তীকালে তিনিই হলেন পরমহংস রামকৃষ্ণদেব।

যদিও জয়রামবাটিতে প্রথম দিকে সেভাবে দুর্গাপুজো হতোনা। তবে সারদা দেবীর মা শ্যামা সুন্দরী দেবী প্রথম শুরু করেছিলেন জগদ্ধাত্রী পুজো। সেই পুজো আজও মহাধুমধামের সাথে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২৩ সালে বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী সারদানন্দজীর উদ্যোগে জয়রামবাটিতে প্রতিষ্ঠা হয় মিশন। তার দু’বছর পরে ১৯২৫ সালে দুর্গা পুজা শুরু হয় এখানে, তবে তখন শুধুই ঘটে-পটে পুজো। আরো পরে ১৯৫৩ সালে মাতৃমন্দির চত্বরে মণ্ডপ তৈরী করে মাটির প্রতিমা তৈরী করে শুরু হয় দেবী বন্দনা ।

বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে মন্ত্র, বিধি ও তিথি মেনে এখানকার মাতৃমন্দিরের পুজো অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে অষ্টমী তিথিতে কুমারী পুজোর প্রথা আজও অটুট তবে বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুজোর দিন গুলিতে কর্তৃপক্ষের তরফে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মাতৃমন্দির সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, সরকারী নিয়ম নীতি মেনে যথাসম্ভব কম লোকের উপস্থিতিতে নাট মন্দিরে সম্পূর্ণ শাস্ত্রীয় বিধি মেনে পুজো হবে। জনসমাগম এড়ানোই হল প্রধান লক্ষ্য, সেকারণে এবার কোন প্যাণ্ডেল হচ্ছেনা। থাকছেনা প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থাও। একই সঙ্গে কুমারী পুজো নিয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্তে আসা যায়নি।

এদিকে দর্শনার্থীদের জন্য সকাল সাড়ে আটটা থেকে এগারোটা ও বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত মন্দিরের প্রধান ফটক খোলা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। প্রত্যেকের মাস্ক ব্যবহার সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানলে তবেই মিলবে মাতৃ মন্দিরের প্রধান ফটক পেরোনোর অনুমতি।

স্থানীয় বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ী প্রত্যেকেই করোনা পরিস্থিতিতে মাতৃ মন্দিরের সিদ্ধান্তকে সাদুবাদ জানিয়েছেন। তবে বর্তমান সময়ে লোকসমাগমের অভাবে বিক্রি বাটা একদম তলানিতে ঠেকেছে বলেই ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।