প্রদ্যুত দাস, জলপাইগুড়ি: তৃতীয়াতে মুক্তি পেলো তাঁর অভিনীত ‘ভিলেন’৷ আর তাই ব্যস্ততার কারণে এই বছর পুজোতে জলপাইগুড়ির বাড়িতে ফেরা হবে না বাংলা ছবির ব্যস্ত নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর। অগত্যা পুজোয় মেয়ের সঙ্গে সময় কাটাতে কলকাতায় যাচ্ছেন মিমির বাবা। মিমি বাড়ি না ফেরায় মন খারাপ পান্ডাপাড়া কালি বাড়ির বাসিন্দাদের। তবে পুজো মন্ডপে মিমির ছবি ভিলেনের পোষ্টার লাগিয়ে প্রচারের ভাবনা পান্ডাপাড়ার পুজো উদ্যোক্তাদের।

বাবা সৌমেশ চক্রবর্তী অপেক্ষায় ছিলেন৷ কিন্তু মেয়ের আসতে না পারায় এইবারও মেয়ের কাছে কলকাতায় যাচ্ছেন সৌমেশ বাবু। মিমির পাড়াতেই অন্যান্য বছরের মতো এইবারও সকলে মিলে পুজোর আয়োজন করেছে। ঠাকুরদার মৃত্যুর কারণে অশৌচ থাকলেও, আগে ভাগেই পুজোতে জলপাইগুড়ি আসার আমন্ত্রণ পৌঁছে গিয়েছিল ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’র নায়িকার কাছে। কিন্তু পুজোর ছবির প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণে আসতে পারছেনা শুনেই কার্যত হতাশ পাড়ার পুজো উদ্যোক্তারা।

পুজো কমিটির সম্পাদক অভিজিৎ দাস জানান, মিমির না আসতে না পারায় মন খারাপ তো হচ্ছেই। তবে পাড়ার মেয়ের ছবির সাফল্যের কথা মাথায় রেখে পুজো মন্ডপে ছবির প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। সেই প্রলয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেন মিমি। তার আগে বেশ কয়েকটি টিভি সিরিয়ালও করেন। পাড়ার চক্রবর্তী বাড়ির মেয়ে রূপোলী দুনিয়ায় চমক দেবে, এমনটাই ধরে নিয়েছিল গোটা পাড়া।

কলেজ জীবনেই মিমির কলকাতায় পাড়ি। মেয়ের নায়িকা হওয়ার ইচ্ছে পূরণে সবসময় পাশে ছিল গোটা পরিবার। পাশাপাশি তাঁকে সমর্থন করেছিল পুরো পান্ডা পাড়া৷ যে পাড়াতে একদিন সকাল বিকেল কেটেছে বাঙালি বাবু ইংলিশ মেম- এর নায়িকার। পাড়ার পুজোয় অঞ্জলি, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় অংশগ্রহণ সেইসব আজ স্মৃতি।

বাবা সৌমেশ চক্রবর্তীর কর্ম জীবন কেটেছে অরুনাচলে। বন বিভাগে চাকরি করতেন তিনি। এখন অবসর। সৌমেশ বাবু জানান, মেয়ের সঙ্গে গত বছর কলকাতাতেই পুজো কেটেছে তার। ঠাকুর দেখেছেন। জমিয়ে আড্ডা, খাওয়া দাওয়া সব হয়েছে। এইবার মেয়ে আসতে পারছে না জেনে তিনিই যাচ্ছেন কলকাতায়। মেয়ের সাথে সময় কাটাতে৷