নয়া দিল্লি: ভারত এমন একটি দেশ যেখানে অলিতে-গলিতে রয়েছে মন্দিরে ছড়াছড়ি। এক এক মন্দিরের এক এক কাহিনী। প্রতিটি কাহিনীতেই আবার রয়েছে রহস্যের স্বাদ। সেইসব মূর্তি থেকে শুরু করে মন্দিরের নক্সাতেও রয়েছে এক একটি কাহিনীর চিত্ররূপ। তেমনই এক মন্দির রয়েছে মধ্য ভারতে। এই মন্দিরটি খোলা হয় বছরে একবার। বাকি সময় নাকি এতে থাকে তালা। এমন কোন রহস্য রয়েছে সেখানে যার জন্যে মন্দির বন্ধ থাকে ৩৬৪ দিন ধরে? আবার মন্দির খোলা হলেই দেখা যায় অদ্ভুত এক জিনিস যা জানলে আপনিও চমকে উঠবেন।

এই মন্দিরটির নাম নাগ চন্দ্রেশ্বর। সেটি অবস্থিত উজ্জয়িনীতে। এটি উজ্জয়িনীর প্রসিদ্ধ মহাকাল মন্দিরের তিনতলায় রয়েছে। নাগ পঞ্চমী উপলক্ষে যখন শিবের আরাধনা শুরু হয় তখন চলে এই মন্দিরে ধুমধাম করে পুজো। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাসে নাগকে দেবতা শিবের প্রধান অলংকার হিসেবে মনে করা হয়। শ্রাবনের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে নাগ চন্দ্রেশ্বর মন্দিরে হয় বিশেষ পুজো। সেদিনই দেখা পাওয়া যায় সেই ইষ্ট দেবতার।

লোকমুখে প্রচারিত যে এই সময়ে মন্দিরে দেখা দিতে আসেন নাগরাজ। তক্ষকের আশীর্বাদ পেতে ভিড় জমতে থাকে মন্দির চত্বরে। মন্দিরে যে মূল মূর্তি রয়েছে শিবের সেখানে ছাতার মতো ঘিরে থাকেন স্বয়ং নাগরাজ। তবে এই মন্দিরের মূর্তিতেও বিশেষত্ব রয়েছে।

একমাত্র এই মন্দিরেই বিষ্ণুর জায়গায় শিব ঠাকুরকে নাগশয্যায় দেখতে পাওয়া যায়। শিব-পার্বতী ও গণেশের মাথায় থাকেন তক্ষক। এর পেছনে আসলে রয়েছে গল্প। শিবকে খুশি করতে বছরের পর বছর ধরে তপস্যা করতে থাকেন তক্ষক। শেষে নাগরাজের আরাধনায় খুশি হন মহাদেব। তিনি তখন আশীর্বাদ স্বরূপ নাগরাজকে তার সঙ্গেই থাকার আজ্ঞা দিলেন। সেই থেকে মন্দিরে বিরাজমান তক্ষক। ভক্তদের উপাসনায় সেই মূর্তি যেন প্রাণ ফিরে পায়।

একসময়ে উজ্জয়িনী ছিল ১৬ টি মহাজনপদের মধ্যে খুবই প্রসিদ্ধ একটি জনপদ। এটি অবস্থিত শিপ্রা নদীর ধারে। ৬০০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে এটি মধ্য ভারতের অন্যতম রাজধানী হয়ে উঠেছিল। অবন্তী রাজ্যের রাজধানীও ছিল উজ্জয়িনী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।