কাশীপুর : উত্তরাখণ্ডের কাশীপুরে খুলল বায়ো ফুয়েল কনভার্শন প্ল্যান্ট৷ এর ফলে এলাকার কৃষিজাত বর্জ্য রিসাইকেল করা যাবে৷ সেই রিসাইকেল করা বর্জ্য দিয়ে হয়তো ভবিষ্যতে চলতে পারে গাড়ি৷ বায়ো ফুয়েলের এই প্ল্যান্টটির মালিক মুম্বইয়ের অরবিন্দ লাল্লি৷

কৃষিজাত বর্জ্য অনেক জায়গায় ফের কাজে লাগানো যায়৷ কখনও কখনও পশুদের খাবার হিসেবেও এসব ব্যবহার করা যেতে পারে৷ কিন্তু অনেক কৃষক তা জানেন না৷ ফলে বর্জ্যগুলি তারা ফেলে দেন বা পুড়িয়ে দেন৷ এর ফলে বায়ুদূষণ হয়৷ পরিবেশের জন্য এটা খুব ক্ষতিকর৷ কিন্তু সম্প্রতি ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োটেকনোলজি ইন ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানীরা এই বর্জ্যগুলি অন্য পদার্থে রূপান্তরিত করেছেন৷ বিজ্ঞানমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন ২২ এপ্রিল নতুন ধরনে একটি বায়োফুয়েল প্ল্যান্টের উদ্বোধন করেন৷

এই প্ল্যান্টটি কাশীপুরে অবস্থিত৷ ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্ল্যান্টটি তৈরি করেছে দ্যা ইনস্টিটিউট অফ ক্যামিক্যাল টেকনোলজি৷ ভারতীয় কৃষকরা প্রায় ১০০ মিলিয়ন টন কৃষিজাত বর্জ্য উৎপন্ন করেন৷ এটি যদি 2G ইথানল বায়োফুয়েল প্ল্যান্ট দেওয়া যায়, তবে তা থেকে ১০০ বিলিয়ন লিটার ইথানল তৈরি হবে৷ এটি পেট্রোল ও ডিজেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হতে পারে৷ অর্থাৎ এবার কৃষিজাত বর্জ্য থেকে চলতে পারে গাড়ি৷

এই নতুন বায়োফুয়েল প্ল্যান্ট প্রতিদিন ১০ টন বর্জ্য রূপান্তরিত করতে পারে৷ তবে শুধু আখের ছিবড়ে, ধান বা গমের খড়কে পরিবর্তিত করতে পারে, এমন নয়৷ তুলোর ফেলে দেওয়া অংশ, বাঁশ ও কাঠের কুঁচিকেও রিসাইকেল করার ক্ষমতা রাখে এই যন্ত্র৷ তবে প্ল্যান্ট নিয়ে এখনও কাজ চলছে৷ লাল্লি ও তাঁর দলের লক্ষ্য প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৫০০ টন বর্জ্য রিসাইকেল করা৷