মুম্বই: দেশে বাড়তে থাকা কোভিড সংক্রমণ ও বিভিন্ন দলের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফ কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পর ভারতীয় বোর্ড অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে আইপিএল। লিগের সাথে জড়িত সবাই একে একে নিজের দেশে-শহরে ফিরেছেন বা শীঘ্রই ফিরবেন। তেমনই দেশে ফেরার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন কেকেআর-এর কিউয়ি উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান টিম সেইফার্টও। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর শেষ দুটি আরটি-পিসিআর(RT-PCR) টেস্টে দেখা যায় তিনি কোভিড পজিটিভ।একারণে তিনি নিউজিল্যান্ডে ফিরতে পারবেন না। আপাতত তিনি ভারতেই কোয়ারান্টাইনে থাকবেন।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়, ‘ব্ল্যাকক্যাপস(BLACKCAPS) ব্যাটসম্যান টিম সেইফার্ট কোভিড পজিটিভ হয়েছেন। তাই তিনি আইপিএল-এ অংশগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডের বাকি প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ ও ধারাভাষ্যকারদের সাথে চার্টার বিমানে দেশে ফিরতে পারবেন না।’ সেদেশের ক্রিকেট বোর্ড আরও জানিয়েছে, ‘সেইফার্ট, যিনি আইপিএল-এ কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের সদস্য ছিলেন, তাঁর দুটি প্রি-ডিপারচার(Pre-departure) পিসিআর(PCR) রিপোর্টের ফলই পজিটিভ এসেছে। তাই তিনি কোয়ারান্টাইনে থাকবেন। তাঁর সামান্য উপসর্গ রয়েছে।’ আপাতত ২৬ বছর বয়সি টিমকে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে যে প্রাইভেট হাসপাতালে কোভিডাক্রান্ত মাইকেল হাসির চিকিৎসা চলছে সেখানেই তাঁরও চিকিৎসা চলবে।

নিউজিল্যান্ডের প্লেয়ারদের জন্য ভারত থেকে দু’টি চার্টার বিমানের আয়োজন করা হয়েছিল। একটি ইতিমধ্যেই উড়ে গিয়েছে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে, ও অপরটি লজিস্টিকাল কিছু কারণবশত দেরি হয়েছে। সেটি আজ নিউজিল্যান্ডের বাকি প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ ও কমেন্টেটরদের নিয়ে উড়ে যাবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের মুখ্য-আধিকারিক ডেভিড হোয়াইট বলেন, গত ১০দিনে সেইফার্টের ৭টি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে, এবং সেইফার্ট নিজে নিশ্চিত যে সে তাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফ থেকে সেরা কেয়ার পাবে। তিনি আরও বলেন, ‘টিমের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক এটা এবং আমরা এখান থেকে যা যা করা সম্ভব তা সব কিছুই করব। আশা করি ও খুব শীঘ্রই নেগেটিভ হয়ে যাবে এবং সুস্থ হয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই ডিসচার্জও হয়ে যাবে।”

সঙ্গে ডেভিড যোগ করেন, ‘এই সংবাদটি পাওয়ার পর থেকেই আমরা টিমের জন্য প্রয়োজনীয় সব সাপোর্টের ব্যবস্থা করে রেখেছি, এবং প্লেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে ওঁর (সেইফার্ট) পরিবারের সাথেও যোগাযোগ রেখে চলেছি যাতে তাঁদের কোনও তথ্য পেতে অসুবিধা না হয়।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.