স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া : শুক্রবার প্রথমে মন্ত্রিত্ব ছাড়েন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে রাজীবের পক্ষে দাঁড়িয়ে দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় দল থেকে বহিষ্কৃত হতে হয় বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে।

শনিবার হাওড়ায় এক অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। আমার মনে হচ্ছে এটা এতটাই দুঃখজনক যে, তিনি মনে হয় না এমন কিছু কথা বলেছেন যার জন্য ওনাকে বহিষ্কার করতে হলো। এরকমও কিছু সতীর্থ এবং সহকর্মী আছেন তারা গতকাল এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যে তাদের কেউ সতর্ক করলেন না। এগুলো সবই মানুষ দেখেছেন। আগামী দিনে মানুষই এর বিচার করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “জীবনে কোনও দিনই আমি কাউকে আঘাত দিইনি। আগামীদিনেও কাউকে আঘাত দেবনা। চলার পথে মানুষকে যতটা সাহায্য এবং সহযোগিতা করার সেটা করবো।”

২৩ জানুয়ারি সকালে বৈশালী ডালমিয়ার ফেসবুক পোস্ট নিয়ে রাজীববাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “বৈশালীদি যেটা লিখেছেন সেটা ওনার নিজস্ব মতামত। এনিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। তবে আজকের দিনটা পবিত্রভাবে পালন করলাম। এই কারণে আজকের দিনটা ভালো লাগছে।”

শনিবার দুপুরে হাওড়ার ডোমজুড়ের পাকুড়িয়া তেঁতুলকুলিতে ফ্রি কোচিং সেন্টারের প্রথম মক টেস্ট কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে এমন মন্তব্য করলেন সদ্য বনমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, ” এই যে এত সম্মান এত মর্যাদা তা সবই জীবনের নানা বাধা বিপত্তিকে সামনে রেখে ধাপে ধাপে উপরে উঠে হয়েছে। তাই ছাত্রছাত্রীদের হতাশ হলে হবে না। তাঁদের জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে নানা বাধা বিপত্তিকে পেরিয়ে উপরে উঠতে হবে।”

আমাদেরও প্রতিটি মূহুর্তে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল বলে এদিন সাংবাদিকদের সামনে মন্তব্য করেন তিনি। কাউকে ধাক্কা মেরে কি উপরে ওঠা যায়? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, জীবনে কাউকে আঘাত দিইনি। আগামী দিনেও দেব না। কে কোথায় কাকে ধাক্কা দিচ্ছে সেটা তাঁদের ব্যাপার। আমি চলার পথে সাধারণ মানুষের পাশে থাকবো। তাঁদের যতটা সহযোগিতা করার করবো। প্রসঙ্গত এদিন রাজীব বন্দোপাধ্যায় হাওড়ার ডোমজুড়ের তাঁর ফ্রি কোচিং সেন্টারের প্রথম মক টেস্টে উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.