মুম্বই: প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই আত্মহত্যা করেছেন সুশান্ত সিং রাজপুত। দু’জনের মৃত্যুর কি কোনও সংযোগ রয়েছে? কেন স্যালিয়ানের আত্মহত্যার এক সপ্তাহের মধ্যে আত্মঘাতী হলেন সুশান্ত? বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে আসছে একাধিক তথ্য। দিশা’র দেহ নগ্ন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বিতর্ক উঠেছিল। সেই বিষয়েই রবিবার মুখ খুলেছেন ডিসিপি বিশাল ঠাকুর।

তিনি জানিয়েছেন, “দিশা স্যালিয়ানের দেহ নগ্ন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। ঘটনার পরে পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং দেহটি সনাক্ত করেন, সেইসময় তাঁর বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন”।

এছাড়াও মৃত্যুর আগে শেষ ফোন কাকে করেছিল সে বিষয়ে বিশাল ঠাকুর জানান, “দিশা শেষ ফোনকল তাঁর বন্ধু অঙ্কিতাকে করেছিল, তাঁর বয়ান ইতিমধ্যেই রেকর্ড করা হয়েছে। এখনও অবধি এ বিষয়ে ২০ থে ২৫ জনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে”।

ব্যথিত দিশা সালিয়ানের মা-বাবা। এভাবে যেন তাঁদের মেয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করা না হয়, আর্তি দিশার মা বাসন্তী সালিয়ানের।

এক সাক্ষাৎকারে দিশার মা বলেছেন, ” দয়া করে আমার মেয়ের বদনাম করে তার থেকে ফায়দা তোলার চেষ্টা করবেন না। ও আমাদের একমাত্র সন্তান। আজ আমরা ওকে হারিয়েছি। আর ওরা মেয়ের বদনাম করতে উঠেপড়ে লেগেছে। এভাবে হয়রান করে ওরা আমাদের মেরে ফেলতে চায়।”

মুম্বই পুলিশের তদন্ত নিয়ে অনাস্থা প্রকাশ করেননি দিশার মা। তিনি জানিয়েছেন, পুরো তদন্ত প্রক্রিয়া, সব নথি তাঁরা দেখেছেন। মুম্বই পুলিশের কাছে যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু এর মাঝখানে বারবার রাজনীতিকরা ঢুকে পড়ে তদন্ত প্রক্রিয়া উলটেপালটে দিচ্ছেন। মুম্বই পুলিশের কাছে তাঁর অনুরোধ, তারা যেন দ্রুত এই তদন্ত শেষ করে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও