ওয়াশিংটন: ‘আমাজন’ নামটা শুনলেই প্রথমে চোখের সামনে যে বিষয়টি সবার আগে ভেসে ওঠে তা হল, অনলাইন শপিং প্লাটফর্ম। কোনওরকম ঝামেলা ঝঞ্জাট ছাড়াই ঘরে বসেই করা যায় মনপছন্দ শপিং। বর্তমানে সারা বিশ্বের অন্যান্য অনলাইন শপিং সাইটের মধ্যে ‘আমাজন’ হল একটি জনপ্রিয় নাম।

গোটা বিশ্বের প্রায় সবদেশেই এর অনলাইন ক্রেতা রয়েছে। যদিও আমাজন হল একটি মার্কিন ইলেকট্রনিক বানিজ্য কোম্পানি। এর সদর দফতর রয়েছে ওয়াশিংটন রাজ্যের সিয়াটলে। ১৯৯৪ সালে জেফ বেজোসের হাত ধরে এর প্রথম প্রতিষ্ঠা হয়। জন্মলগ্নে আমাজন ছিল একটি অনলাইন বইয়ের দোকান। এরপর ধীরে ধীরে এর কার্যক্রম শুরু হয়৷

বর্তমানে এই শপিং সাইটে জামাকাপড়, যাবতীয় পোশাক, আসবাবপএ, ইলেকট্রনিকস গ্যাজেট সহ নিত্যনতুন প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায়। তবে আজ এই অনলাইন সংস্থা যেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে বিগত ২৬ বছর আগে তা ছিলো না। অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়েই এই জায়গা,সুনাম এবং কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেছে আমাজন।

আর এই বিষয়ে বলতে গিয়ে সিএনবিসি’র এক সাক্ষাৎকারে আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও জেফ বেজোস জানিয়েছেন, ১৯৯৪ সালে এই ব্যবসা বা অনলাইন বইয়ের দোকান খোলার জন্য তিনি তার বাবা-মায়ের থেকে মাএ ২৭৫,৫৭৩ ডলার অর্থ সাহায্য পেয়েছিলেন৷ আর যা দিয়ে শুরু করেছিলেন তাঁর এই ব্যবসা। যদিও এই ব্যবসায় কতটা সফলতা আসবে তা প্রথম দিকে তিনি কিছুই আন্দাজ করতে পারেননি।এমনকি তাঁর মনে হয়েছিল একশো শতাংশের মধ্যে ত্রিশ শতাংশ সফলতা আসতে পারে।

তাঁর মা, বাবার টাকা জলে যেতে পারে ভেবে মাঝেমধ্যে মন খারাপও করতেন তিনি৷ তবে কখনই হাল ছেড়ে দেননি। এই বিষয়ে সব সময় তাঁকে ভরসা জুগিয়েছেন তাঁর মা। সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রমও করে যেতেন। আর তাঁর সেই কষ্টের ফল হিসেবে আজ তিনি পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তি। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৬২.৬৪৮ডলার। এছাড়াও আমেরিকা, ফ্রান্স, রাশিয়া, কানাডা, ভারত, ব্রাজিল, জাপান, চিন অস্ট্রেলিয়া এবং মেক্সিকো সহ গোটা বিশ্বেই রয়েছে তাঁদের বাজার। আর এই অনলাইন শপিং সাইটে কর্মরত রয়েছেন প্রায় ৭ লাখ কর্মী।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।